রাজ্য – বাংলায় ভোট যুদ্ধের দামামা বেজে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশন নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতেই প্রার্থী তালিকা প্রকাশে এগিয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক দলগুলি। শাসকদল ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে, যদিও বিরোধীরা এখনও সেই দিক থেকে কিছুটা পিছিয়ে। এই আবহেই আজ মেগা রবিবার, কারণ ভবানীপুরে কর্মিসভার বৈঠকে বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee। এই বৈঠকের মধ্য দিয়েই শুরু হবে তাঁর আনুষ্ঠানিক ভোট প্রচার।
রবিবার সন্ধ্যায় চেতলার অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভা করবেন Mamata Banerjee। সেখান থেকেই তিনি কর্মীদের জন্য নির্বাচনী স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণ করে দেবেন বলে জানা গিয়েছে। নিজের গড় ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই লড়বেন তিনি। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে রয়েছেন বিজেপির বিরোধী দলনেতা Suvendu Adhikari। ফলে এই কেন্দ্রের লড়াই যে হাড্ডাহাড্ডি হতে চলেছে, তা বলাই বাহুল্য। গোটা দেশের রাজনৈতিক মহলের নজর এখন ভবানীপুরের ফলাফলের দিকে, আর সেই কারণে রবিবারের এই কর্মিসভা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।
এই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সংগঠনিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ও কর্মীদের নিয়ে আলোচনা করবেন। জানা গিয়েছে, কর্মীদের জন্য একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিতে পারেন তিনি—বিশেষ করে কীভাবে বিরোধীদের কুৎসা বা প্ররোচনায় পা না দিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে আরও নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তোলা যায়, সেই দিকেই জোর দেওয়া হবে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০২১ সালের বিধানসভা উপনির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই Mamata Banerjee জিতেছিলেন ৫৮ হাজার ৮৩৫ ভোটে। এবার বিজেপির তরফে Suvendu Adhikari প্রার্থী হওয়ায় রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হয়েছে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা ইতিমধ্যেই স্লোগান তুলেছেন—“উন্নয়ন ঘরে ঘরে, ঘরের মেয়ে ভবানীপুরে”, এবং দাবি করছেন, এবার আরও বড় ব্যবধানে জয় নিশ্চিত।
এই কর্মিসভার পর আগামী সপ্তাহ থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় প্রচারে নামবেন Mamata Banerjee। বিশেষ করে উত্তরবঙ্গে তাঁর একাধিক কর্মসূচি রয়েছে। ২৪ মার্চ আলিপুরদুয়ার, ময়নাগুড়ি, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি এবং ২৫ মার্চ রায়গঞ্জ ও হরিরামপুরে সভা করার কথা রয়েছে তৃণমূল নেত্রীর।



















