রাজ্য – বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ফের উত্তেজনা বাড়ছে। শাসকদলকে নিশানা করে বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছে Bharatiya Janata Party। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে খুব শীঘ্রই একটি চার্জশিট প্রকাশ করা হবে, যা প্রকাশ্যে আনবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী Amit Shah।
দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ২৮ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এই চার্জশিট প্রকাশ করা হবে। গত কয়েক বছরে রাজ্যের শাসন ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক অভিযোগ এই নথিতে তুলে ধরা হবে। অনেকেই এই চার্জশিটকে ‘শ্বেতপত্র’ বলেও উল্লেখ করছেন, যা সরাসরি জনতার সামনে তুলে ধরতে চাইছে বিজেপি।
প্রথমে দলের পরিকল্পনা ছিল নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশের পর চার্জশিট আনা হবে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেই কৌশল বদল করেছে গেরুয়া শিবির। এখন ঠিক হয়েছে, আগে অভিযোগপত্র প্রকাশ করা হবে, তারপর এপ্রিলের শুরুতে নির্বাচনী ইস্তেহার সামনে আনা হবে। এর মাধ্যমে ভোটের আগে নিজেদের অবস্থান আরও স্পষ্ট করতে চাইছে বিজেপি।
অন্যদিকে শাসকদল All India Trinamool Congress ইতিমধ্যেই তাদের নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করেছে। ফলে পাল্টা রাজনৈতিক লড়াইয়ে নামার আগে বিজেপি এই চার্জশিটকে বড় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। শুধু প্রকাশেই থেমে না থেকে, এই নথি সাধারণ মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। দলের নেতা-কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তা বিলি করবেন বলে জানা গিয়েছে।
এই চার্জশিটে মূলত গত পনেরো বছরে রাজ্যের বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ধরা হতে পারে। নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে কয়লা, পাথর ও বালি পাচারের মতো বিষয়গুলিও এতে স্থান পেতে পারে। পাশাপাশি সরকারি কর্মচারীদের ডিএ না পাওয়া নিয়েও সরব হতে পারে বিজেপি।
তবে শুধু অভিযোগ নয়, ভবিষ্যতের প্রতিশ্রুতিও তুলে ধরা হবে দলের ইস্তেহারে। রাজ্যে ক্ষমতায় এলে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি, নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং পরিকাঠামোর উন্নয়নের মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে সংগঠন মজবুত করতে রাজ্যে সক্রিয় হয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি Nitin Nabin, যিনি একাধিক বৈঠকের মাধ্যমে নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখছেন।




















