রানাঘাটে ভোট প্রশিক্ষণে বিতর্ক, মারধরের অভিযোগে সাসপেন্ড বিডিও

রানাঘাটে ভোট প্রশিক্ষণে বিতর্ক, মারধরের অভিযোগে সাসপেন্ড বিডিও

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


নদিয়া – শুক্রবার নদিয়ার রানাঘাটের একটি স্কুলে ভোট কর্মীদের প্রশিক্ষণ চলাকালীন হঠাৎই বিতর্কের সৃষ্টি হয়। দেবনাথ ইনস্টিটিউশন ফর বয়েজ স্কুলে আয়োজিত ওই প্রশিক্ষণে প্রজেক্টারে মুখ্যমন্ত্রীর ছবি-সহ একটি সরকারি বিজ্ঞাপন ভেসে ওঠে। নির্বাচনী বিধি ভঙ্গের অভিযোগ তুলে সরব হন ভোটকর্মী সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, এই বিজ্ঞাপনের বিরোধিতা করতেই বিডিও অফিসের কয়েকজন কর্মী তাঁর উপর চড়াও হন এবং তাঁকে মারধর করা হয়, যার ফলে তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় আহত হন।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন ও Election Commission of India। তদন্তে নেমে মঙ্গলবার হাঁসখালির বিডিও Santayan Bhattacharya-কে সাসপেন্ড করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তও শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
প্রসঙ্গত, প্রশিক্ষণ শুরুর ঠিক আগে হলঘরের বড় পর্দায় Mamata Banerjee-র ছবি-সহ একাধিক সরকারি বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, যেখানে জগন্নাথ মন্দির সংক্রান্ত বিষয়ও ছিল। নির্বাচনের সময় আদর্শ আচরণবিধি বলবৎ থাকায় এই ধরনের প্রচার নিয়ে আপত্তি জানান সৈকত চট্টোপাধ্যায়। তাঁর প্রতিবাদের জেরেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং মারধরের অভিযোগ ওঠে।
এই ঘটনার পর অন্যান্য ভোটকর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। প্রশিক্ষণ বয়কট করে তাঁরা স্কুল প্রাঙ্গণে অবস্থান বিক্ষোভে বসেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে মোতায়েন করা হয়। পরবর্তীতে শিক্ষকদের একটি অংশ রানাঘাট এসডিও অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান এবং দোষীদের শাস্তির দাবি তোলেন।
নদিয়ার জেলাশাসক জানিয়েছেন, গোটা ঘটনা গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হয়েছে এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে। তদন্তের ভিত্তিতেই সংশ্লিষ্ট বিডিওর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে নির্বাচন পর্বে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top