বকেয়া ডিএ মেটাতে নবান্নের তৎপরতা, ১১ বছরের হিসাব চেয়ে জরুরি রিপোর্ট তলব

বকেয়া ডিএ মেটাতে নবান্নের তৎপরতা, ১১ বছরের হিসাব চেয়ে জরুরি রিপোর্ট তলব

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। রাজ্যের স্কুল ও মাদ্রাসার শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী থেকে পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ (মহার্ঘ ভাতা) মেটাতে অবশেষে সক্রিয় হল Nabanna। ২০০৮ থেকে ২০১৯—প্রায় ১১ বছরের বকেয়া হিসাব চেয়ে জরুরি রিপোর্ট তলব করা হয়েছে, যা রাজ্য প্রশাসনের অবস্থান বদলের স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বুধবার রাতে মাদ্রাসা ডিরেক্টরেটের পক্ষ থেকে রাজ্যের সমস্ত জেলার স্কুল পরিদর্শকদের (ডিআই) কাছে নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, শিক্ষাকর্মী ও পেনশনভোগীদের বকেয়া ডিএ-র পরিমাণ এবং মোট উপভোক্তার সংখ্যা দ্রুত জানাতে হবে, যাতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া যায়।
একই দিনে Nabanna-এ ডিএ ইস্যুতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অর্থসচিব Prabhat Kumar Mishra-র নেতৃত্বে হওয়া এই বৈঠকে উচ্চশিক্ষা, স্কুলশিক্ষা, পরিবহণ, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন এবং পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের শীর্ষ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে মূলত বকেয়া ডিএ মেটানোর আর্থিক রূপরেখা এবং পরিশোধের পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এর আগে রাজ্য সরকার ঘোষণা করেছিল, ২০১৬ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত চার বছরের বকেয়া ডিএ ১০০ শতাংশ এককালীন পরিশোধ করা হবে ৩১ মার্চের মধ্যে। সেই অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের একটি বড় অংশ ইতিমধ্যেই তাঁদের পাওনা পেয়ে গিয়েছেন—জিপিএএফ বা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা জমা পড়েছে।
তবে এখনও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুল-কলেজের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী, পুরসভা ও পঞ্চায়েত কর্মীদের হাতে সেই বকেয়া পৌঁছায়নি। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ বাড়ছিল সংশ্লিষ্ট মহলে। নতুন করে রিপোর্ট তলব ও প্রশাসনিক তৎপরতা দেখে আশা করা হচ্ছে, খুব শীঘ্রই তাঁদের বকেও মিটবে।
প্রশাসনিক সূত্রে ইঙ্গিত, ধাপে ধাপে বা নির্দিষ্ট কাঠামোর মাধ্যমে এই বকেয়া পরিশোধ করা হতে পারে। যদিও এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়নি, তবে প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের মধ্যে স্বস্তির সুর শোনা যাচ্ছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top