রাজ্য – বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) মেটাতে উদ্যোগী হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এই প্রক্রিয়াকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যেতে আগেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল অর্থ দপ্তর। এবার সেই পদক্ষেপকে আরও সুসংহত করতে দপ্তরগুলিকে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (এসওপি) পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৩ এপ্রিলের মধ্যে এই এসওপি জমা দিতে বলা হয়েছে।
এই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে উচ্চ শিক্ষা, স্কুল শিক্ষা, গণশিক্ষা সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার পরিষেবা, পুর ও নগরোন্নয়ন, পরিবহণ, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরগুলির কাছে। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই এসওপি জমা পড়লেই বকেয়া ডিএ ও ডিআর প্রদানের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করা হবে।
এবার পারিবারিক পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রেও বকেয়া মহার্ঘ ত্রাণ (ডিআর) মেটানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত প্রক্রিয়া জানিয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল (অ্যাকাউন্টস অ্যান্ড এনটাইটেলমেন্ট), পশ্চিমবঙ্গ। জানানো হয়েছে, একটি বিশেষ ডিজিটাল ব্যবস্থার মাধ্যমে সরাসরি পেনশনভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বকেয়া অর্থ পৌঁছে দেওয়া হবে।
এই লক্ষ্যে প্রতিটি পেনশনভোগীর জন্য পৃথক হিসাব তৈরি করা হচ্ছে প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেলের তত্ত্বাবধানে। কলকাতা পুরসভা এলাকার বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশনভোগীদের তথ্য সংগ্রহের কাজও জোরকদমে চলছে। রাজ্যের অর্থ দপ্তর, প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট্যান্ট জেনারেল এবং অনুমোদিত ব্যাঙ্কগুলির আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নির্ধারিত হয়েছে, সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কগুলি দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য জমা দেবে এবং সেই তথ্য যাচাইয়ের ভিত্তিতে বকেয়া অর্থের হিসাব নির্ধারণ করা হবে। এরপর ধাপে ধাপে প্রতিটি পেনশনভোগীর অ্যাকাউন্টে তাদের প্রাপ্য অর্থ পাঠানো হবে।
সব মিলিয়ে, বকেয়া ডিএ ও ডিআর মেটাতে প্রশাসনিক তৎপরতা বাড়িয়েছে রাজ্য সরকার, যা বহু কর্মী ও পেনশনভোগীর জন্য স্বস্তির বার্তা নিয়ে আসতে পারে।




















