রাজ্য – প্রথম দফার ভোট নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হওয়ার পর এবার নজর দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের দিকে। বিক্ষিপ্ত কিছু অশান্তি ছাড়া প্রথম দফার ভোটে মোটের উপর সন্তুষ্ট নির্বাচন কমিশন। সেই আবহেই এবার দ্বিতীয় দফার ভোটকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। শাসক ও বিরোধী—উভয় শিবিরই শেষ মুহূর্তের প্রচারে কোনো ফাঁক রাখতে চাইছে না।
এই রবিবার, যাকে রাজনৈতিক মহল “সুপার সানডে” হিসেবে দেখছে, সেদিন প্রচারের ময়দানে থাকছেন একাধিক হেভিওয়েট নেতা-নেত্রী। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক জনসভা ও পদযাত্রায় অংশ নেবেন। তিনি নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর বিধানসভা থেকেই প্রচার শুরু করবেন। বিকেলে পদ্মপুকুর এলাকায় তাঁর জনসভা নির্ধারিত রয়েছে। এরপর মনসাতলা ক্রসিং রোড এবং কালীঘাট মোড়েও তিনি জনসভা করবেন। একইসঙ্গে ল্যান্সডাউন থেকে কালীঘাট ফায়ার স্টেশন পর্যন্ত একটি পদযাত্রাও করবেন তিনি। পরে ক্যামাক স্ট্রিটে আরেকটি মিছিলের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শেষ হবে।
অন্যদিকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও এদিন ব্যস্ত থাকবেন প্রচারে। পূর্ব বর্ধমানের পূর্বস্থলী উত্তর ও কাটোয়াতে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে তাঁর জনসভা রয়েছে। এরপর মগরাহাটে জনসভা এবং ফলতায় রোড শো করার কথা রয়েছে তাঁর।
রাজ্যে জোরদার প্রচারে নেমেছে বিজেপিও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এদিন প্রথমে নদিয়ার তেহট্টে জনসভা করবেন। এরপর রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভায় আরেকটি জনসভা এবং সন্ধ্যায় বারাসতে রোড শো করবেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে রাজ্যে আসছেন। তাঁর দুটি জনসভা এবং একটি রোড শো নির্ধারিত হয়েছে। দুপুরে বনগাঁতে প্রথম জনসভা করার পর তিনি আরামবাগে আরেকটি জনসভা করবেন। সেখান থেকেই বিকেলে উত্তর কলকাতায় রোড শো করবেন প্রধানমন্ত্রী।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জে পি নাড্ডাও এদিন রাজ্যে প্রচারে অংশ নেবেন। দুপুরে ভাতারে এবং বিকেলে বেহালা পশ্চিমে তাঁর রোড শো ও জনসভা রয়েছে। সব মিলিয়ে দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে রাজ্যের রাজনৈতিক আবহ কার্যত সরগরম হয়ে উঠেছে।



















