রাজ্য – ঘরের ছেলে শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই উচ্ছ্বাসে ভাসছে গোটা পূর্ব মেদিনীপুর। শনিবার শপথগ্রহণের পর থেকেই কাঁথির শান্তিকুঞ্জে ভিড় জমাতে শুরু করেছিলেন সাধারণ মানুষ। রবিবার সেই উন্মাদনা আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায়। সকাল থেকেই শুভেচ্ছা জানাতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে।
কাঁথির মাটিতেই শুভেন্দুর রাজনৈতিক জীবনের শুরু। দু’বারের সাংসদ, তিনবারের বিধায়ক এবং প্রাক্তন মন্ত্রী হিসেবে দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলার পর এবার তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর আসনে। ফলে ‘বুবাই’-এর এই সাফল্যকে নিজেদের গর্ব হিসেবেই দেখছেন পূর্ব মেদিনীপুরের মানুষ।
রবিবার সকালেও মুখ্যমন্ত্রী হয়েও সাধারণ মানুষের সঙ্গে সহজভাবেই সময় কাটাতে দেখা যায় শুভেন্দুকে। শান্তিকুঞ্জেই তিনি জনসংযোগ সারেন। এলাকার বহু মানুষ তাঁর সঙ্গে দেখা করে শুভেচ্ছা জানান। পরে দুপুরে মায়ের হাতের রান্না খেয়ে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।
তবে কলকাতার পথে বেরোলেও যাত্রাপথে একাধিক জায়গায় তাঁকে ঘিরে উচ্ছ্বাস চোখে পড়ে। বিশেষ করে নন্দকুমারে পৌঁছতেই কার্যত জনপ্লাবনের ছবি ধরা পড়ে। রাস্তার দু’পাশে হাজার হাজার মানুষ দাঁড়িয়ে ছিলেন শুধুমাত্র একবার মুখ্যমন্ত্রীকে দেখার আশায়। কেউ হাতে ফুল, কেউ আবার মোবাইলে সেই মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করতে ব্যস্ত ছিলেন।
পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছয় যে শুভেন্দু অধিকারীকে গাড়ি থেকে নামতেই হয়। চাইলে কনভয়ে বসেই জনতার অভিবাদন গ্রহণ করে এগিয়ে যেতে পারতেন তিনি। কিন্তু তা না করে সাধারণ মানুষকে সম্মান জানাতে নিজেই রাস্তায় নেমে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী।
এরপর কর্মী-সমর্থক ও অনুগামীদের সঙ্গে দীর্ঘ পথ হাঁটতে দেখা যায় তাঁকে। পথ চলতে চলতেই বহু মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীকে সামনে পেয়ে উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত জনতা। গোটা এলাকা জুড়ে তখন কার্যত উৎসবের আবহ তৈরি হয়।
সকলের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন গ্রহণ করার পরই আবার কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।




















