রাজ্য – প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ আরও সহজ করতে বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। পার্সোনেল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস দপ্তরের ২১ অগস্টের নির্দেশ অনুযায়ী, তৃণমূলস্তর পর্যন্ত আধিকারিকদের জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ‘জনসংযোগ সময়’। প্রতি মঙ্গলবার ও বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দপ্তরে উপস্থিত থেকে সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও সমস্যার কথা শুনতে হবে।
এই নির্ধারিত সময়ে আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও আগাম অ্যাপয়েন্টমেন্টের প্রয়োজন হবে না। অর্থাৎ, নিজেদের সমস্যা বা অভিযোগ নিয়ে সরাসরি নির্দিষ্ট দপ্তরে গিয়ে আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলতে পারবেন সাধারণ মানুষ। প্রশাসনের কাজকর্মে আরও স্বচ্ছতা এবং দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তির লক্ষ্যেই এই ব্যবস্থা বলে মনে করা হচ্ছে।
নির্দেশের আওতায় প্রশাসনের পাশাপাশি পুলিশ দপ্তরের একাধিক স্তরের আধিকারিকরাও থাকছেন। ডিভিশনাল কমিশনার, জেলাশাসক, পুর কমিশনার, ডেভেলপমেন্ট অথরিটির সিইও, অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমাশাসক ও বিডিও-র পাশাপাশি পুর ও নগর স্থানীয় সংস্থার এক্সিকিউটিভ অফিসারদেরও নির্ধারিত সময়ে জনসাধারণের সঙ্গে দেখা করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনে ডিজি, এডিজি, আইজি, পুলিশ কমিশনার, ডিআইজি, পুলিশ সুপার, ডেপুটি কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এসডিপিও এবং থানার ইন্সপেক্টর বা ওসি-রাও এই ব্যবস্থার অন্তর্ভুক্ত।
একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে বন দপ্তর এবং বিভিন্ন ‘লাইন ডিপার্টমেন্ট’-এর ক্ষেত্রেও। ডিরেক্টরেট থেকে শুরু করে জেলা, মহকুমা ও ব্লক স্তরে কর্মরত সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের নির্ধারিত সময়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে তাঁদের অভিযোগ শুনতে হবে। ফলে প্রশাসনিক পরিষেবা ও অভিযোগ জানানোর ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের জন্য আরও সরাসরি একটি যোগাযোগের পথ তৈরি হল।




















