রাজ্য – নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—রাজ্যের দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন ঘোষণার পর থেকেই রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। ভোটের মূল লড়াইয়ের পাশাপাশি জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে টানাপোড়েনও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাট শিবিরের সঙ্গে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোষ্ঠীর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে জল্পনার মধ্যেই এবার নন্দীগ্রামকে ঘিরে সামনে এল নতুন কৌশল।
ঋতব্রতপন্থী শিবিরের তৃণমূল নেতা মদন মিত্রের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি ফের নন্দীগ্রাম থেকে নির্বাচনে লড়েন, তাহলে তাঁদের গোষ্ঠী সেখানে কোনও প্রার্থী দেবে না। তাঁর বক্তব্য, বিজেপি-বিরোধী ভোট যাতে ভাগ না হয়, সেই বার্তাই দিতে চান তাঁরা। সেই কারণেই তৃণমূলনেত্রীকে নন্দীগ্রামে কার্যত ‘ফাঁকা ময়দান’ ছেড়ে দেওয়ার কৌশল নেওয়া হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।
মদন মিত্রের যুক্তি, বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বিরোধী ভোটের বিভাজন রুখতে এমন অবস্থান প্রয়োজন। তাঁর দাবি, এতে সাধারণ মানুষের কাছেও স্পষ্ট হয়ে যাবে কারা বিজেপিকে রুখতে চাইছে এবং কারা পরোক্ষে গেরুয়া শিবিরকে সুবিধা করে দিচ্ছে। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থিতাকে ঘিরে তাই উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক সমীকরণ আরও জটিল হয়ে উঠছে।
দুই শিবিরের টানাপোড়েনের আবহে মদন মিত্রের এই মন্তব্য নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শেষ পর্যন্ত নন্দীগ্রাম থেকে প্রার্থী হন কি না এবং ঋতব্রতপন্থী শিবির নিজেদের অবস্থান বাস্তবে কীভাবে কার্যকর করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।




















