কলকাতা
প্রধানমন্ত্রী দফতরের (PMO) আধিকারিক পরিচয় দিয়ে নবান্নে ঢুকে পড়ার অভিযোগে এক মহিলাকে দিল্লি থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, ভুয়ো পরিচয় ব্যবহার করে রাজ্য প্রশাসনের সদর দফতরে প্রবেশের পর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। ঘটনায় নবান্নের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গ ও দিল্লি পুলিশের সমন্বিত তদন্তের পর দিল্লিতে ওই মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
অন্যদিকে, কলকাতা পুরসভার কেন্দ্রীয় সার্ভার দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় থাকায় এবার বেতন ও বর্ধিত ডিএ নিয়েও সংশয় তৈরি হয়েছে পুরকর্মীদের মধ্যে। সেপ্টেম্বরের শুরুতে ব্যাঙ্কে থাকা পুরনো কর্মী-তালিকা অনুযায়ী স্থায়ী ও চুক্তিভিত্তিক কর্মীদের বেতন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে যাঁদের পদোন্নতির কারণে বেতন ও এরিয়ারের পরিমাণ বেড়েছে, তাঁদের অনেকেই সেই বাড়তি টাকা এখনও পাননি বলে পুরসভা সূত্রে খবর।
পুরসভার সেন্ট্রাল সার্ভার প্রায় ২০ দিন ধরে বিকল থাকায় বিভিন্ন অনলাইন প্রশাসনিক কাজ ব্যাহত হয়েছে। এর জেরে আপডেটেড তথ্য অনুযায়ী বেতন সংক্রান্ত হিসাবও পুরোপুরি কার্যকর করা সম্ভব হয়নি বলে অভিযোগ। ইতিমধ্যেই নাগরিক পরিষেবা এবং পুরসভার অভ্যন্তরীণ কাজেও এর প্রভাব পড়েছে। ১৮ দিন পর সার্ভার চালু হলেও স্বাভাবিকভাবে কাজ শুরু করা নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা পুর আধিকারিকদের একাংশ জানিয়েছেন।
এবার সেই একই কারণে চলতি মাসের বর্ধিত ডিএ নিয়েও চিন্তায় রয়েছেন পুরকর্মীরা। ১৪ ও ১৫ অক্টোবর সরকারি কর্মীদের ২০ শতাংশ বর্ধিত ডিএ-সহ চলতি মাসের বেতন পাওয়ার কথা রয়েছে বলে পুরকর্মীদের মধ্যে আলোচনা চলছে। কলকাতা পুরসভার কর্মীরাও এই ব্যবস্থার আওতায় রয়েছেন। কিন্তু সার্ভার ও পে-রোল সংক্রান্ত সমস্যা পুরোপুরি মিটেছে কি না, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে কর্মীদের মধ্যে।
ফলে একদিকে নবান্নে ভুয়ো পরিচয়ে প্রবেশের ঘটনায় তদন্ত চলছে, অন্যদিকে পুরসভার সার্ভার সমস্যার জেরে বেতন, এরিয়ার এবং বর্ধিত ডিএ—এই তিন বিষয় নিয়েই নজর রয়েছে পুরকর্মীদের। সার্ভার পুরোপুরি স্বাভাবিক হলে বেতন সংক্রান্ত আটকে থাকা হিসাব ও অতিরিক্ত পাওনাগুলি কীভাবে মেটানো হবে, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন কর্মীরা।




















