
নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা,২৮ শে আগস্ট : ৩৭০ ধারার ৩৫(A) বিলোপ হওয়ার পর থেকে রীতিমত সারা দেশ জুড়ে সাড়া পড়ে গিয়েছে। কাশ্মীর সমস্যা সমাধানের একমাত্র পথ এই আইনি বিলোপ কিনা তা নিয়ে একটি যুক্তি-তর্কের সভা আয়োজিত হয়। বুধবার এই তর্ক-বিতর্ক সভার আয়োজন করা হয়েছিল কলকাতার বুকে এক নামজাদা পাঁচ তারা হোটেলে। এই তর্ক বিতর্কের যুদ্ধে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, বসিরহাটের প্রাক্তন সাংসদ মিজানুর রহমান, সাহা ইন্সটিটিউট অফ নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের গবেষক ডঃ জিষ্ণু বসু, ফ্যাশান ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পাল, বহুজাতিক সংস্থার সিইও ভাস্কর রায়, চলচ্চিত্রের নির্দেশক সঙ্ঘমিত্রা চৌধুরী, রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ব বিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞানের অধ্যাপক-রাজনৈতিক বিশ্লেষক বিশ্বনাথ চক্রবর্তী, প্রাক্তন বামপন্থী নেতা-মন্ত্রী-সাংসদ-সিপিআইএমের পলিট ব্যুরোর সদস্য মহম্মদ সেলিম, হাইকোর্টের বর্ষীয়ান আইনজীবী অরুনাভ ঘোষ, প্রবীন আইনজীবী এবং প্রাক্তন সাংসদ সর্দার আমজাদ আলি, ইতিহাসের অধ্যাপক এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষক সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়, শরৎ যাদবের লোকতান্ত্রিক জনতা দলের বরিষ্ঠ নেতা রাজ্যের দায়িত্ব প্রাপ্ত অমিতাভ দত্ত।

মূল বিষয়টি ছিল কাশ্মীরে গণতান্ত্রিক অধিকার কতটা খর্ব করেছে এবং কাশ্মীরের উপর ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদ এমন সদ্য বহুল প্রচলিত মন্তব্যে কিরূপ প্রভাব পড়েছে। পক্ষে ছিলেন- মহম্মদ সেলিম, অরুনাভ ঘোষ, সর্দার আমজাদ আলি, সুমন বন্দ্যোপাধ্যায়, অমিতাভ দত্ত। এবং বিপক্ষে ছিলেন- দিলীপ ঘোষ, মিজানুর রহমান, ডঃ জিষ্ণু বসু, অগ্নিমিত্রা পাল, ভাস্কর রায়, সঙ্ঘমিত্রা চৌধুরী, বিশ্বনাথ চক্রবর্তী।



















