সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্রের কপালকুণ্ডলা মন্দির আজও অবহেলিত

সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্রের কপালকুণ্ডলা মন্দির আজও অবহেলিত

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নিউজ ডেস্ক,পূর্ব মেদিনীপুর: মেদিনীপুর জেলার সঙ্গে সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের যোগ কখনওই পুরোপুরি ছিন্ন হয়নি। চাকরিসূত্রে বঙ্কিমচন্দ্র বেশ কিছুকাল এই জেলায় কাটান। ১৮৬০ সালের জানুয়ারিতে তিনি এলেন কাঁথির কাছে তৎকালীন নেগুয়া মহকুমার ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ও ডেপুটি কালেক্টর হয়ে। নভেম্বরে বদলি হয়ে চলে গেলেন খুলনায়। এই দশ মাসের মেদিনীপুর বসবাস কালে বঙ্কিম-সাহিত্যে চিরস্থায়ী স্বাক্ষর রেখে যান বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। নেগুয়া-কাঁথি মিলিয়ে দু’জায়গার বাংলোতেই তিনি থেকেছেন। কাঁথির দরিয়াপুরে থাকাকালিন লেখিলেছিলেন কপালকুণ্ডলা। ১৯৬৬ সালে প্রকাশিত হয়” কপালকুণ্ডলা”উপন্যাস যা বাংলা সাইত্যে এক মাইল স্টোন।
সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্রের লেখনি গুলির মধ্যে অন্যতম কপালকুণ্ডলা । বর্তমানে কপালকুণ্ডলা মন্দির কাঁথি দু’নম্বর ব্লকের দারিয়াপুর এলাকায় । দরিয়াপুর সমুদ্র বা রসুলপুর নদির মোহনার কিছুটা ভিতরে একসময় এই মন্দির ছিল ঝোপঝাড় এবং আগাছা পরিপূর্ণ । আজ থেকে প্রায় চার বছর আগে এই মন্দির কে নতুন করে গড়ে তোলে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ । এই মায়ের মন্দিরেই নবকুমার- কপালকুণ্ডলার রোমাঞ্চকর প্রেমের কাহিনি গড়ে উঠে ছিলো। তবে এখন মন্দির থাকলেও কোনো মূর্তি নেই এখানে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top