অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় স্পষ্টীকরণ, সরকারি কর্মী ও আয়করদাতারা পাবেন না সুবিধা

অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে বড় স্পষ্টীকরণ, সরকারি কর্মী ও আয়করদাতারা পাবেন না সুবিধা

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে রাজ্য সরকার এবার বিস্তারিত নির্দেশিকা প্রকাশ করল। মাসে ৩ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তার এই প্রকল্পে কারা আবেদন করতে পারবেন এবং কারা পারবেন না, তা স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে নারী ও শিশুকল্যাণ দপ্তরের তরফে। সরকারি চাকরিজীবী এবং আয়কর প্রদানকারীদের এই প্রকল্পের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার প্রকাশিত সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মী হলে অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা পাওয়া যাবে না। একইভাবে যাঁরা আয়কর দেন, তাঁরাও এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারবেন না। সরকারের দাবি, আর্থিকভাবে পিছিয়ে থাকা মহিলাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর করে তুলতেই এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।
প্রকল্পের নিয়ম অনুযায়ী, শুধুমাত্র ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সী মহিলারাই আবেদন করতে পারবেন। যোগ্য আবেদনকারীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে আগামী ১ জুন থেকে প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে সরাসরি ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার বা ডিবিটি পদ্ধতিতে অর্থ পাঠানো হবে।
এর আগেই সরকার জানিয়েছিল, নতুন এসআইআর তালিকায় নাম থাকা আবেদনকারীদের পাশাপাশি যাঁরা সিএএ বা ট্রাইবুনাল সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় আবেদন করেছেন, তাঁরাও নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন।
অন্নপূর্ণা যোজনাকে ঘিরে সাধারণ মানুষের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন তৈরি হওয়ায় আবেদন ও স্টেটাস যাচাইয়ের জন্য সরকার একটি নির্দিষ্ট পোর্টাল চালু করেছে। মঙ্গলবার থেকেই সেই পোর্টাল কার্যকর হয়েছে। যদিও প্রথম দিনেই বহু আবেদনকারী প্রযুক্তিগত সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।
প্রশাসনিক সূত্রে খবর, নতুন আবেদনগুলি সরাসরি অনুমোদন করা হবে না। প্রতিটি আবেদন প্রথমে যাচাই করা হবে। গ্রামীণ এলাকায় বিডিও এবং এসডিও স্তর থেকে সেই আবেদন জেলাশাসকের কাছে পাঠানো হবে। অন্যদিকে কলকাতা পুর এলাকার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পুর আধিকারিকরা এই দায়িত্ব পালন করবেন। যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হওয়ার পর চূড়ান্ত উপভোক্তাদের তালিকা পোর্টালে প্রকাশ করা হবে।
অন্নপূর্ণা যোজনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট যোগ্যতার ভিত্তিতে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়াই রাজ্য সরকারের মূল লক্ষ্য। তবে আবেদন যাচাই এবং উপভোক্তাদের হাতে কত দ্রুত টাকা পৌঁছবে, এখন সেদিকেই নজর সকলের।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top