অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও ‘লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডস’ সম্পত্তি নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ, সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে পুরসভাকে

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি ও ‘লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডস’ সম্পত্তি নিয়ে হাইকোর্টের নির্দেশ, সাত দিনের মধ্যে রিপোর্ট দিতে হবে পুরসভাকে

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সংস্থা ‘লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর একাধিক সম্পত্তি ঘিরে বিতর্কের মধ্যেই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়ি এবং সংস্থার বিভিন্ন সম্পত্তির কোন কোন অংশ বেআইনি নির্মাণের আওতায় পড়ছে, তা আগামী সাত দিনের মধ্যে হলফনামা দিয়ে কলকাতা পুরসভাকে জানাতে হবে।

বুধবার হাইকোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চের বিচারপতি স্মিতা দাস দে এই নির্দেশ দেন। আদালতের মতে, প্রথমে পুরসভাকে স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করতে হবে যে কোন অংশগুলি অনুমোদিত নকশার বাইরে নির্মিত হয়েছে এবং সেই সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ নথি আদালতে পেশ করতে হবে।

এই মামলার সূত্রপাত হয় কলকাতা পুরসভার পাঠানো একাধিক নোটিসকে কেন্দ্র করে। পুরসভার ৪০১ ধারার অধীনে কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডে অবস্থিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সংস্থার একাধিক সম্পত্তিতে নোটিস পাঠানো হয়েছিল বলে জানা যায়। সেখানে বিল্ডিং প্ল্যান এবং নির্মাণ-সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। সংবাদমাধ্যমের একাংশের দাবি, প্রায় ১৭টি সম্পত্তির ক্ষেত্রে এই ধরনের নোটিস জারি করা হয়েছে, যদিও সরকারি স্তরে এই সংখ্যা নিয়ে পৃথকভাবে কোনও নিশ্চিত ঘোষণা করা হয়নি।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই নোটিসের বিরোধিতা করে আদালতের দ্বারস্থ হন। তাঁর দাবি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের ২৯-সি ঠিকানার বাড়িটি সম্পূর্ণ বৈধভাবে নির্মিত এবং নোটিসে নির্দিষ্টভাবে কোন অংশ বেআইনি তা স্পষ্ট করা হয়নি। তাঁর বক্তব্য, নির্দিষ্ট বিচ্যুতি না জানালে তার জবাব দেওয়া সম্ভব নয়। এই প্রেক্ষিতেই তিনি বিচারব্যবস্থার হস্তক্ষেপ চান।

অন্যদিকে, ‘লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার পক্ষ থেকেও পুরসভাকে চিঠি দিয়ে নথি জমা দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। সংস্থার দাবি, তারা সমস্ত তথ্য দিতে প্রস্তুত, তবে পর্যাপ্ত সময় প্রয়োজন।

সব পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত জানায়, সাত দিনের মধ্যে কলকাতা পুরসভাকে স্পষ্টভাবে জানাতে হবে কোন অংশে অবৈধ নির্মাণ হয়েছে কি না এবং হলে তার পরিমাণ কত। পাশাপাশি সম্পত্তির মালিকদের দুই সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে হবে। চার সপ্তাহ পর এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top