কলকাতা:
দীর্ঘদিনের মন্দার পর কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে ফের বাড়তে শুরু করেছে বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা। দুই বছরের বিরতির পর ভারতের পর্যটন ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ায় চিকিৎসার জন্য প্রতিবেশী দেশ থেকে রোগীদের আগমন বাড়ছে। এর ফলে কলকাতাকেন্দ্রিক মেডিকেল ট্যুরিজমও নতুন করে গতি পাচ্ছে বলে মনে করছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
২০২৪ সালের মাঝামাঝি বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার পর ভারত সরকার ভ্রমণে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করায় চিকিৎসা পর্যটনে বড় ধাক্কা লাগে। পরে গত ২৮ জুন ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলিতে নিয়মিত পর্যটন ভিসা পরিষেবা পুনরায় চালু হয়। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই বিপুল সংখ্যক ভিসার আবেদন জমা পড়ে। একইসঙ্গে মেডিকেল ভিসার অনুমোদনের সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়মিত ভিসা পরিষেবা চালু হওয়ার পর গত চার সপ্তাহে বাংলাদেশ থেকে চিকিৎসার জন্য আসা রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ডিসান হাসপাতালের কলকাতা ও শিলিগুড়ি ইউনিটে এই সময়ে বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, ভিসা প্রক্রিয়া সহজ হওয়ায় চিকিৎসার জন্য আবারও কলকাতাকে বেছে নিচ্ছেন বহু রোগী।
অন্যদিকে, আর এন ঠাকুর হাসপাতালেও বাংলাদেশি রোগীর সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে। একসময় যেখানে মাসে প্রায় ২,২০০ জন বহির্বিভাগ এবং ২০০ জন অন্তর্বিভাগের রোগী চিকিৎসা নিতে আসতেন, পরে সেই সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গিয়েছিল। তবে গত তিন থেকে চার সপ্তাহে আবারও রোগীর সংখ্যা প্রায় ২০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।




















