রাজ্য – ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই চাপ বাড়ছে Indian Political Action Committee-কে ঘিরে। সংস্থার এক ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেল গ্রেপ্তার হওয়ার পর এবার আরেক ডিরেক্টর ঋষি রাজকে দিল্লিতে তলব করেছে Enforcement Directorate। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে—তদন্ত কোন দিকে গড়াবে এবং তার প্রভাব ভোটে কতটা পড়বে, তা নিয়েই চলছে আলোচনা।
এর আগে আই-প্যাকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ভিনেশ চান্ডেলকে অর্থ পাচার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর গ্রেপ্তারের পরই সংস্থার শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ইডির পদক্ষেপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
ঋষি রাজ আই-প্যাকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ। তিনি Indian Institute of Technology Kanpur-এর প্রাক্তনী এবং আগে ইনভেস্টমেন্ট ব্যাঙ্কার হিসেবে কাজ করেছেন। HSBC ও Credit Suisse-এর মতো সংস্থায় কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর। আই-প্যাকের শুরু থেকেই যুক্ত থাকা ঋষি রাজ ২০২১ সালের বাংলা বিধানসভা নির্বাচন এবং ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের কৌশল তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন বলেই জানা যায়। পাশাপাশি অন্ধ্রপ্রদেশেও কাজ করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, আই-প্যাককে ঘিরে এর আগেও একাধিক তদন্ত হয়েছে। ভিনেশ চান্ডেলকে অর্থ পাচার মামলায় গ্রেপ্তার করা হয় এবং দিল্লি পুলিশের একটি মামলার ভিত্তিতেই ইডি এই তদন্ত শুরু করে। এর আগেও কয়লা পাচার মামলায় কলকাতায় আই-প্যাকের অফিস ও সংস্থার কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পরিবারের সদস্যদেরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়।
এদিকে, সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে তারা তদন্তে সহযোগিতা করছে। তবে ভোটের মুখে আই-প্যাক তাদের পশ্চিমবঙ্গের কর্মীদের ২০ দিনের ছুটি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে। ইমেলে জানানো হয়েছে, ১১ মে-র পর আবার কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।
সব মিলিয়ে, ভোটের আগে আই-প্যাককে ঘিরে তদন্ত এবং প্রশাসনিক পদক্ষেপ রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।




















