রাস্তায় নমাজে নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে আদালতে যাওয়ার নির্দেশ মমতার, সরব মেটিয়াবুরুজের তৃণমূল কাউন্সিলর

রাস্তায় নমাজে নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে আদালতে যাওয়ার নির্দেশ মমতার, সরব মেটিয়াবুরুজের তৃণমূল কাউন্সিলর

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই একাধিক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তকে ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনীতি। এবার রাস্তা আটকে নমাজ পাঠের উপর সরকারের কড়া অবস্থানকে কেন্দ্র করে নতুন করে শুরু হল বিতর্ক। এই নীতির বিরুদ্ধে মেটিয়াবুরুজের এক তৃণমূল কাউন্সিলরকে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার নির্দেশ দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই এই বিষয়ে আইনি লড়াই শুরু হতে পারে।
শুক্রবার কালীঘাটের বাড়িতে কলকাতা পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলরদের নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকেই উঠে আসে রাস্তায় নমাজ পড়া নিয়ে বর্তমান রাজ্য সরকারের বিধিনিষেধের প্রসঙ্গ। দলীয় সূত্রে খবর, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলাকালীনই মমতা মেটিয়াবুরুজের এক তৃণমূল কাউন্সিলরকে অবিলম্বে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার নির্দেশ দেন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, রাস্তায় নমাজ পাঠে নিষেধাজ্ঞা-সহ রাজ্য সরকারের একাধিক নীতির বিরুদ্ধে সম্প্রতি পার্ক সার্কাস, রাজাবাজার-সহ কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ দেখা যায়। কয়েকটি জায়গায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। বিশেষ করে পার্ক সার্কাস এলাকায় পুলিশের উপর হামলার অভিযোগ সামনে আসে। এই ঘটনার পর কড়া বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি আইনশৃঙ্খলা ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন। ইতিমধ্যেই ওইসব ঘটনায় অভিযুক্ত কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করেছে পুলিশ।
সরকারি বিধিনিষেধ জারির পর শুক্রবার রাজাবাজার, তোপসিয়া, পার্ক সার্কাস এবং তিলজলার মতো সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে আর রাস্তা আটকে নমাজ পড়ার ছবি দেখা যায়নি। প্রশাসনের তরফে আগেই কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছিল। ফলে রাস্তার পরিবর্তে স্থানীয় মসজিদগুলির ভিতরেই বিশেষ ব্যবস্থায় দুটি শিফটে জুম্মার নমাজ পাঠের আয়োজন করা হয়।
এর ফলে মুসলিম ধর্মাবলম্বীরা মসজিদের মধ্যেই শান্তিপূর্ণভাবে নমাজ আদায় করেন। তবে এই ইস্যু ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, ধর্মীয় অধিকার বনাম প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে আগামী দিনে এই বিতর্ক আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top