নরেন্দ্র মোদির ঐতিহাসিক রেকর্ড ভাঙন, ভারতের দীর্ঘতম সময় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়া মাইলফলক

নরেন্দ্র মোদির ঐতিহাসিক রেকর্ড ভাঙন, ভারতের দীর্ঘতম সময় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নয়া মাইলফলক

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



দেশ – বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় বহুবার বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় নেতা হিসেবে উঠে এসেছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নাম। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প থেকে শুরু করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সহ বিশ্বের প্রভাবশালী নেতাদের জনপ্রিয়তার তালিকায় তিনি বহুবার শীর্ষস্থান বা শীর্ষের কাছাকাছি অবস্থান করেছেন। এবার জনপ্রিয়তার পাশাপাশি ইতিহাসের পাতাতেও নিজের নাম আরও উজ্জ্বল করলেন তিনি।

টানা প্রধানমন্ত্রিত্বের নিরিখে নরেন্দ্র মোদি ভেঙে দিয়েছেন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুর দীর্ঘদিনের রেকর্ড। ২০১৪ সালের ২৬ মে প্রথমবার দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন মোদি এবং সেই থেকে এখন পর্যন্ত টানা ৪,৩৯৯ দিন এই পদে অধিষ্ঠিত আছেন তিনি। এর মাধ্যমে তিনি ১৯৫২ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়া পণ্ডিত জওহরলাল নেহরুর ৪,৩৯৮ দিনের রেকর্ডকে অতিক্রম করেছেন। এই অর্জনের ফলে মোদি বর্তমানে ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালনকারী প্রধানমন্ত্রী হয়ে উঠেছেন।

উল্লেখ্য, স্বাধীন ভারতের সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু ১৯৫২ সালের ১৩ মে শপথ গ্রহণ করেন এবং একটানা ৪,৩৯৭ দিন, অর্থাৎ প্রায় ১২ বছর ১৪ দিন তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) নরেন্দ্র মোদি সেই ঐতিহাসিক রেকর্ড ভেঙে দেন এবং নতুন নজির স্থাপন করেন।

জওহরলাল নেহরু স্বাধীনতা-পরবর্তী ভারতকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং জাতি গঠনের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। অন্যদিকে নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে সেই যাত্রাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং একটি উন্নত ভারতের ভিত্তি গড়ে তোলার দাবি করা হয়েছে। বর্তমান সরকার একবিংশ শতাব্দীর ভারতকে একটি বিশ্বশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে।

সরকারের ১২ বছর পূর্তি এবং এই ঐতিহাসিক সাফল্য উদযাপনের অংশ হিসেবে বুধবার দিল্লিতে এনডিএ-র একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব এবং এনডিএ জোটের শরিক দলগুলির প্রতিনিধিরাও এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top