রাজ্য – বয়স ভাঁড়ানোর অভিযোগ ঘিরে রাজ্য ক্রিকেটে বিতর্কের মধ্যেই এবার মুখ খুললেন সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। সিএবির সভাপতি হিসেবে ক্রিকেটারদের বয়স সংক্রান্ত অনিয়ম নিয়ে তাঁর কাছে জবাব চেয়েছিলেন রীতেশ। বৃহস্পতিবার ইডেনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে সেই অভিযোগ ও প্রশ্নের জবাব দেন সৌরভ।
রীতেশের বক্তব্যে সিএবি সচিব বাবলু কোলের একটি দাবিও উঠে আসে। তাঁর দাবি, আধার কার্ড আপডেটের মাধ্যমে ৫০০-র বেশি ক্রিকেটারের বয়স সংক্রান্ত অসঙ্গতি ধরা পড়েছে এবং ৬০-র বেশি ক্রিকেটারকে ইতিমধ্যেই নির্বাসিত করা হয়েছে। এতদিন বিষয়টি নিয়ে কেন পদক্ষেপ করা হয়নি এবং আরও আগে কেন তদন্ত হয়নি, সেই প্রশ্নও তোলেন রীতেশ।
সৌরভ অবশ্য জানান, বিসিসিআই এ বছরই প্রথম আধার আপডেট সিস্টেম চালু করেছে। গত ২৭ তারিখ এ নিয়ে বোর্ডের উদ্যোগে একটি সেমিনার হয়, যেখানে বিভিন্ন রাজ্য ক্রিকেট সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাঁর বক্তব্য, বয়সের গরমিল শুধু ক্রিকেট নয়, ফুটবল, হকি-সহ বিভিন্ন খেলাতেই দীর্ঘদিনের সমস্যা এবং খেলোয়াড়দের জন্মশংসাপত্রের নথির ভিত্তিতেই এতদিন খেলা চলেছে।
সিএবিই প্রথম কয়েকটি ক্ষেত্রে বয়সের অসঙ্গতি শনাক্ত করেছে বলে দাবি করেন সৌরভ। তাঁর বক্তব্য, বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়া রোহিত যাদবের বয়স সংক্রান্ত গরমিলও বিসিসিআই নয়, সিএবি প্রায় দু’মাস আগে চিহ্নিত করে। এরপর সংশ্লিষ্ট নথি বিসিসিআইয়ের জেনারেল ম্যানেজার অ্যাবে কুরুভিলার কাছে পাঠিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করা হয়।
বয়স ভাঁড়ানো ঠেকাতে সিএবির তরফে একটি ১০ সদস্যের যাচাই দল কাজ করছে বলেও জানান সৌরভ। তাঁর দাবি, গত তিন মাস ধরে এই প্রক্রিয়া চলছে এবং আধার আপডেট ব্যবস্থা চালুর পর অনিয়ম শনাক্ত করা সহজ হয়েছে। বয়সের গরমিলের কারণে যাঁরা বাদ পড়েছেন, তাঁদের আর খেলতে দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর দাবি, অনূর্ধ্ব-১৫, অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২৩ বিভাগে বর্তমানে বয়স সংক্রান্ত সমস্যাযুক্ত কোনও ক্রিকেটার নেই।




















