ধূপগুড়িতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা, দশম শ্রেণির পড়ুয়ার বিরুদ্ধে মা-কে খুন ও পরিবারের সদস্যদের উপর হামলার অভিযোগ

ধূপগুড়িতে চাঞ্চল্যকর ঘটনা, দশম শ্রেণির পড়ুয়ার বিরুদ্ধে মা-কে খুন ও পরিবারের সদস্যদের উপর হামলার অভিযোগ

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



জলপাইগুড়ি – জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি এলাকায় এক মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। পরিবারের সদস্যদের উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে এক দশম শ্রেণির পড়ুয়ার বিরুদ্ধে। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তাঁর মায়ের। গুরুতর আহত হয়েছেন বাবা-সহ আরও তিনজন। ঘটনার পর অভিযুক্ত নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে বলে জানা গিয়েছে।

সোমবার রাতে গাদং ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত জুরাপানি হাই স্কুল সংলগ্ন এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী এবং শুরু হয় তদন্ত।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত কিশোর স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র। অভিযোগ, সোমবার রাত প্রায় ৮টা নাগাদ সে আচমকাই ধারালো অস্ত্র হাতে পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা চালায়। প্রথমে তার মা দীপালী সরকারের উপর আক্রমণ করা হয়। মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে বাবা নেপাল সরকারের উপরও হামলা চালানো হয়। ঘটনায় পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

আহতদের দ্রুত ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা দীপালী সরকারকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্য আহতদের চিকিৎসা চলছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

পরিবারের সদস্যদের উপর হামলার পর অভিযুক্ত কিশোর নিজেও আত্মহত্যার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে। বর্তমানে তার চিকিৎসা চলছে এবং পুলিশি নজরদারিতেই রাখা হয়েছে।

এই ঘটনার নেপথ্যে ঠিক কী কারণ রয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পারিবারিক অশান্তি, মানসিক চাপ নাকি অন্য কোনও কারণ—সব দিক খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী আধিকারিকরা। ইতিমধ্যেই পরিবারের সদস্য, প্রতিবেশী এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলা শুরু করেছে পুলিশ।

ঘটনাটি এলাকায় গভীর শোক ও উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি করেছে। এমন নৃশংস ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের রিপোর্ট এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের পরই ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top