বাংলার গ্রামীণ উন্নয়নে বড় বরাদ্দ, ১০ লক্ষ বাড়ি নির্মাণে অনুমোদন কেন্দ্রের

বাংলার গ্রামীণ উন্নয়নে বড় বরাদ্দ, ১০ লক্ষ বাড়ি নির্মাণে অনুমোদন কেন্দ্রের

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – লোকসভা নির্বাচনের পর পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ উন্নয়ন খাতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে বড়সড় আর্থিক অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ)-র আওতায় রাজ্যে একযোগে ১০ লক্ষ বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামীণ সড়ক, পেনশন এবং ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পের জন্যও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছে।

সরকারি সূত্র অনুযায়ী, আবাসন, গ্রামীণ সড়ক, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক সুরক্ষা মিলিয়ে মোট প্রায় ১৭০০ কোটি টাকার বিভিন্ন প্রকল্পে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর ফলে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি আসবে বলে মনে করছেন প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক মহলের একাংশ।

প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। অতীতে প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে নানা অভিযোগ এবং কেন্দ্র-রাজ্য টানাপোড়েনের কারণে এই খাতে বরাদ্দ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। এবার নতুন করে ১০ লক্ষ বাড়ি নির্মাণের অনুমোদন পাওয়ায় বহু গ্রামীণ পরিবার উপকৃত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

শুধু আবাসন নয়, গ্রামীণ সড়ক পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্যও কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী গ্রাম সড়ক যোজনার আওতায় এই অর্থ ব্যয় করা হবে। এর ফলে বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া জুন মাস থেকে শুরু হতে চলা ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পের জন্য ৭০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। এই অর্থ গ্রামীণ এলাকায় কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে মনে করা হচ্ছে। একইসঙ্গে পঞ্চায়েত দফতরের অধীনে পরিচালিত বিভিন্ন পেনশন প্রকল্পের জন্য আরও ৬০০ কোটি টাকার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, আবাসন, সড়ক, কর্মসংস্থান এবং সামাজিক সুরক্ষার মতো চারটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে একযোগে অর্থ বরাদ্দ গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করবে। এর ফলে নির্মাণ ক্ষেত্র, ক্ষুদ্র ব্যবসা এবং স্থানীয় শ্রমবাজারেও ইতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

রাজনৈতিক মহলেও এই বরাদ্দকে ঘিরে আলোচনা শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, কেন্দ্র ও রাজ্যের প্রশাসনিক সমন্বয়ের ফলে উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন আরও দ্রুত হতে পারে। অন্যদিকে বিরোধী শিবির এই বরাদ্দের বাস্তব প্রয়োগ এবং উপভোক্তাদের কাছে সুবিধা পৌঁছনোর বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার কথা বলছে।

এখন নজর থাকবে প্রকল্পগুলির বাস্তবায়নের গতি, অর্থ বরাদ্দের ব্যবহার এবং কত দ্রুত সাধারণ মানুষের কাছে এই সুবিধা পৌঁছে দেওয়া যায় তার উপর।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top