প্রয়াত কিংবদন্তি গায়িকা সুমন কল্যাণপুর, সঙ্গীত জগতে শোকের ছায়া

প্রয়াত কিংবদন্তি গায়িকা সুমন কল্যাণপুর, সঙ্গীত জগতে শোকের ছায়া

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



বিনোদন – ভারতীয় সঙ্গীত জগতের এক উজ্জ্বল অধ্যায়ের অবসান ঘটল। কিংবদন্তি গায়িকা সুমন কল্যাণপুর রবিবার মুম্বইয়ের বাসভবনে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। তাঁর প্রয়াণের খবরে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা সঙ্গীত মহলে। শিল্পী, অনুরাগী এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।

১৯৩৭ সালের ২৮ জানুয়ারি তৎকালীন ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন সুমন কল্যাণপুর। পরবর্তীকালে তাঁর পরিবার মুম্বইয়ে চলে আসে। ছোটবেলা থেকেই সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগ ছিল তাঁর। শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রশিক্ষণ নিয়ে ধীরে ধীরে তিনি চলচ্চিত্র সঙ্গীতের জগতে নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় গড়ে তোলেন।

১৯৫০ এবং ১৯৬০-এর দশকে হিন্দি চলচ্চিত্রের সঙ্গীত জগতে তিনি অন্যতম জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। মহম্মদ রফি, মুকেশ-সহ একাধিক কিংবদন্তি শিল্পীর সঙ্গে অসংখ্য স্মরণীয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি। তাঁর কণ্ঠে গাওয়া ‘না তুম হমে জানো’, ‘আজ কাল তেরে মেরে পেয়ার কে চর্চে’ এবং ‘তুমনে পুকারা অউর হাম চলে আয়ে’-র মতো গান আজও সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে রয়েছে।

হিন্দি, মারাঠি, বাংলা, গুজরাটি, অসমিয়া-সহ একাধিক ভাষায় গান গেয়ে তিনি লক্ষ লক্ষ শ্রোতার মন জয় করেছিলেন। তাঁর মধুর কণ্ঠ ও আবেগঘন পরিবেশনা তাঁকে ভারতীয় সঙ্গীতের স্বর্ণযুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পীতে পরিণত করেছিল।

সঙ্গীত জগতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০০৯ সালে মহারাষ্ট্র সরকারের পক্ষ থেকে লতা মঙ্গেশকর পুরস্কারে সম্মানিত হন তিনি। ২০২৩ সালে তাঁকে ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পদ্মভূষণ প্রদান করা হয়।

তাঁর প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বর্ষীয়ান নেতা শরদ পাওয়ার। তিনি এই ক্ষতিকে অত্যন্ত হৃদয়বিদারক বলে উল্লেখ করেছেন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শিল্পী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং অনুরাগীরা শ্রদ্ধা ও স্মরণে ভরিয়ে তুলছেন কিংবদন্তি এই গায়িকাকে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top