রাজ্য – পুজোর আগে ডেঙ্গুর প্রকোপ নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে স্বাস্থ্য দফতরে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্যজুড়ে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। ইতিমধ্যেই ডেঙ্গুর সম্ভাব্য হটস্পট হিসেবে ৮৫টি ব্লক, ২৭৮টি গ্রাম পঞ্চায়েত এবং ২৯টি পুরসভাকে চিহ্নিত করা হয়েছে। চিহ্নিত এলাকাগুলিতে বেছে বেছে ডেঙ্গু পরীক্ষা চালানোর পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।
পুজোর প্যান্ডেলগুলিকেও নজরদারির আওতায় আনা হচ্ছে। এই বিষয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের আধিকারিকরা আলোচনা করছেন। কোথাও যাতে জল জমে না থাকে, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে বলা হয়েছে। শুকনো পাত্র, ফেলে দেওয়া আইসক্রিমের কাপ, চায়ের ভাঁড় বা অন্য কোনও পরিত্যক্ত জিনিসে জল জমে মশার বংশবিস্তার যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাস্তার ধারে আবর্জনার স্তূপ তৈরি না হয়, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
বাড়ি বাড়ি গিয়ে নজরদারিও চালাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। কোনও বাড়িতে চৌবাচ্চা বা জলের ট্যাঙ্কের ঢাকনা খোলা থাকলে তা ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ছাদে থাকা ফুলের টব কিংবা পুরনো পাত্রে জল জমছে কি না, নিয়মিত তা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে। ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষায় সবসময় মশারি টাঙিয়ে ঘুমানোর উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।
প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, মেডিক্যাল কলেজ এবং আয়ুষ্মান মন্দিরগুলিতে নিয়মিত ডেঙ্গু পরীক্ষা চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের বার্তা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং জমা জল দ্রুত সরিয়ে ফেলাই মশার বংশবিস্তার ঠেকানোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায়। পুজোর সময়ে ভিড় বাড়ার কথা মাথায় রেখে তাই নজরদারি ও সচেতনতা—দুই দিকেই জোর দেওয়া হচ্ছে।




















