রাজ্য – রবিবার রাজ্যজুড়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা। চলতি বছরে মোট ১ লক্ষ ২০ হাজার ৮৫৬ জন পরীক্ষার্থী নাম নথিভুক্ত করেছেন। পরীক্ষার জন্য মোট ২৬৭টি কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ২৬৪টি কেন্দ্র। পাশাপাশি ত্রিপুরায় দুটি এবং অসমে একটি কেন্দ্রে পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছে।
পরীক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়ের অন্তত দেড় ঘণ্টা আগে পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার স্বার্থে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশের আগে মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর তল্লাশি করা হবে। সমস্ত রকম জালিয়াতি রুখতে এবার কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করেছে বোর্ড।
বোর্ড সূত্রে জানা গিয়েছে, রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ডিটেক্টর সম্বলিত রোভিং অবজারভার মোতায়েন করা হয়েছে বিভিন্ন কেন্দ্রে। প্রতি চারটি কেন্দ্রের ক্লাস্টারের জন্য একজন করে রোভিং অবজারভার নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়াও প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রের জন্য পর্যাপ্ত সংখ্যক বোর্ড অবজারভার রাখা হয়েছে, যাতে কোনও ধরনের অনিয়ম বা অসদুপায় রোখা যায়।
এবার পরীক্ষার ওএমআর শিটেও আনা হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। সাধারণ কাগজের মতো দেখতে হলেও মূল ওএমআর শিটের নিচে থাকবে একটি হুবহু ডুপ্লিকেট কপি। দুটি পাতা আলাদা করা থাকবে, যাতে একটি কপি পরীক্ষা কেন্দ্রে জমা দেওয়া যায় এবং অন্যটি পরীক্ষার্থী নিজের কাছে রাখতে পারেন।
পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য রাজ্যজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ পরিষেবা, পরিবহণ ব্যবস্থা এবং আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক দফতরগুলির সহযোগিতা চেয়েছে বোর্ড। রেল ও সড়কপথে পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতে যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য রবিবার সকাল থেকেই বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হবে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায়।
উল্লেখযোগ্যভাবে, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর এটিই প্রথম বড় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা। ফলে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পরীক্ষা কেন্দ্রগুলিকে ঘিরে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকেও গোটা পরিস্থিতির উপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে।



















