নয়াদিল্লি: উৎসবের মরশুম হোক কিংবা ছুটির সময়—বিমানের টিকিট কাটতে গিয়ে নাজেহাল হতে হচ্ছে বহু যাত্রীকে। স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি ভাড়া দিতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে। বিশেষ করে কোনও নির্দিষ্ট রুটে যাত্রীদের চাহিদা হঠাৎ বেড়ে গেলে বিমান সংস্থাগুলির টিকিটের দামও অনেকটা বেড়ে যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বিমানভাড়া নির্ধারণের ক্ষেত্রে নতুন নির্দেশিকা আনতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আগামী ১ জানুয়ারি, ২০২৭ থেকে কার্যকর হতে চলেছে এই নয়া নিয়ম।
যদিও বিমানভাড়ার উপর নির্দিষ্ট কোনও সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়া হচ্ছে না, তবে বিশেষ পরিস্থিতিতে বা জনস্বার্থের প্রয়োজনে ভাড়া নির্ধারণের বিষয়ে সরাসরি হস্তক্ষেপ করতে পারবে কেন্দ্র। অর্থাৎ, বিমান সংস্থাগুলির ভাড়া নির্ধারণের স্বাধীনতা বজায় থাকলেও যাত্রীস্বার্থ রক্ষায় সরকারের নজরদারি আরও বাড়তে চলেছে।
নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এবার থেকে টিকিটের দাম নির্ধারণের সময় বিমান সংস্থাগুলিকে পরিচালন খরচ-সহ একাধিক বিষয় বিবেচনায় রাখতে হবে। জ্বালানির দাম, বিমান পরিচালনার খরচ এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়ের ভিত্তিতেই তৈরি করতে হবে ভাড়ার কাঠামো। সেই ভাড়ার বিস্তারিত তালিকা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে জমা দিতে হবে ডিরেক্টরেট জেনারেল অফ সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ)-র কাছে।
শুধু সরকারি দফতরে তথ্য জমা দিলেই হবে না, প্রতিটি বিমান সংস্থাকে নিজেদের ওয়েবসাইটেও ভাড়ার বিবরণ প্রকাশ করতে হবে। এর ফলে টিকিট কাটার আগে বিভিন্ন সংস্থার ভাড়ার কাঠামো সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবেন যাত্রীরা। বিমানভাড়া নির্ধারণের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনা এবং যাত্রীদের স্বার্থ সুরক্ষিত রাখাই এই নতুন ব্যবস্থার অন্যতম লক্ষ্য।



















