রাজ্য- ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে কারা প্রকৃত উপভোক্তা, তা খতিয়ে দেখতে এবার বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। অভিযোগ উঠেছে, এই প্রকল্পের আওতায় এমন বহু মানুষ সরকারি সুবিধা পেয়েছেন যাঁরা প্রকৃতপক্ষে যোগ্য নন। সেই কারণেই সমস্ত উপভোক্তার তালিকা পুনরায় যাচাই করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনকে। আগামী ৩০ মে-র মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশও জারি হয়েছে।
রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই প্রশাসনিক স্তরে একের পর এক কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন প্রকল্প, সরকারি কাজ এবং আগের প্রশাসনিক সিদ্ধান্তগুলি খতিয়ে দেখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মন্ত্রিসভা গঠনের পর নবান্ন থেকে ধারাবাহিকভাবে একাধিক নির্দেশ জারি করা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েই এবার বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে অযোগ্য ব্যক্তিরা সরকারি বাড়ির সুবিধা পেয়েছেন, অথচ প্রকৃত প্রাপকেরা বঞ্চিত হয়েছেন। সেই কারণেই নতুন করে উপভোক্তাদের নথি, আর্থিক অবস্থা এবং যোগ্যতার ভিত্তিতে যাচাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন।
এদিকে সোমবার রাজ্যের সরকারি স্কুলগুলির ইউনিফর্ম নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। অভিযোগ উঠেছে, নিম্নমানের কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে পড়ুয়াদের পোশাকে। এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্টও তলব করা হয়েছে প্রশাসনের তরফে।
শুধু তাই নয়, আর জি কর মামলাতেও নতুন করে সক্রিয় হয়েছে রাজ্য সরকার। খুন ও ধর্ষণ কাণ্ডে সিবিআই তদন্ত সংক্রান্ত মামলার শুনানির জন্য বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ গঠন করেছে কলকাতা হাই কোর্ট। একইসঙ্গে অভয়া কাণ্ডে তিন আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করার ঘটনাও রাজনৈতিক মহলে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
নতুন সরকারের এই ধারাবাহিক পদক্ষেপে প্রশাসনিক মহলে চাপ বাড়ছে বলেই মত রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের।




















