ইডির স্ক্যানারে শ্রেয়া পাণ্ডে, নির্ধারিত সময়ের আগেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির তৃণমূল নেত্রী

ইডির স্ক্যানারে শ্রেয়া পাণ্ডে, নির্ধারিত সময়ের আগেই সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির তৃণমূল নেত্রী

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা – কসবার বিতর্কিত ব্যবসায়ী বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে ‘সোনা পাপ্পু’-কে ঘিরে বেআইনি আর্থিক লেনদেন এবং জমি সংক্রান্ত মামলার তদন্তে নতুন মোড়। এবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) নজরে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী প্রয়াত সাধন পাণ্ডের কন্যা তথা মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী শ্রেয়া পাণ্ডে। নির্ধারিত দিনের আগেই আচমকা সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে অবস্থিত ইডি দফতরে হাজির হন তিনি।

তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার শ্রেয়া পাণ্ডেকে তলব করা হয়েছিল। তবে সকলকে চমকে দিয়ে তিনি একদিন আগেই, সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে যান। জাল নথির মাধ্যমে সরকারি ও বেসরকারি জমি দখল এবং সেই জমিতে অবৈধ নির্মাণ সংক্রান্ত মামলার তদন্তে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে।

এর আগে গত এপ্রিল মাসে সোনা পাপ্পুকে কেন্দ্র করে কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় একাধিক অভিযান চালায় ইডি। সেই সময় বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের বাড়িতে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালানোর পর তাঁকে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। একই দিনে বালিগঞ্জে কলকাতা পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিকের বাড়িতেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। তদন্তের শুরুতেই ইডি আধিকারিকদের বাধার মুখে পড়তে হয়েছিল বলেও খবর প্রকাশ্যে আসে।

তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জয় কামদারের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর আর্থিক লেনদেনের একাধিক তথ্য তাদের হাতে এসেছে। এর আগেও জয়ের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়েছিল বলে জানা যায়। সোনা পাপ্পুর সঙ্গে আর্থিক সম্পর্ক নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে একাধিকবার তলব করা হলেও তিনি হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

এদিকে দক্ষিণ কলকাতার কুখ্যাত ব্যবসায়ী সোনা পাপ্পুর বাড়িতে তল্লাশির সময় একটি বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হওয়ার পর তদন্তের পরিধি আরও বিস্তৃত হয়। অস্ত্রটির উৎস অনুসন্ধান করতে গিয়েই তদন্তকারীরা একাধিক সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের খোঁজ পান। তদন্তে উঠে এসেছে, বেহালার প্রোমোটার জয় কামদারের সংস্থার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ আর্থিক সম্পর্ক ছিল।

গোয়েন্দা সূত্রে খবর, সোনা পাপ্পু এবং জয় কামদারের মধ্যে অন্তত দেড় কোটি টাকার আর্থিক লেনদেনের তথ্য সামনে এসেছে। এছাড়াও সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর নামে থাকা একটি সংস্থা এবং জয় কামদারের সংস্থার মধ্যে কোটি কোটি টাকার আর্থিক আদান-প্রদানের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই অর্থ লেনদেনের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এর সঙ্গে জমি দখল ও প্রোমোটিং চক্রের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top