
৬০০ কোটি টাকার সাইবার প্রতারণা: গ্রেফতার শিল্পপতি পবন রুইয়া
কলকাতা – বড়সড় সাইবার প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার হলেন শিল্পপতি Pawan Ruiya। পশ্চিমবঙ্গ সাইবার অপরাধ দমন শাখার হাতে মঙ্গলবার নিউটাউনের একটি হোটেলের সামনে থেকে তাঁকে আটক করা হয়। অভিযোগ, গোটা দেশজুড়ে প্রায় এক হাজার চারশোরও বেশি ভুয়ো সংস্থা খুলে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই এই মামলায় তদন্ত চলছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তল্লাশি অভিযানও শুরু হয়েছিল।এই ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালে, যখন বিধান নগরের ইকো পার্ক থানায় স্বপন কুমার মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে সাইবার আধিকারিকরা জানতে পারেন, পবন রুইয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতেন। ইতিমধ্যেই প্রায় ৩১৫ কোটি টাকার তছরুপের প্রমাণ হাতে পেয়েছে তদন্তকারী দল।এই মামলায় পবন রুইয়ার পাশাপাশি তাঁর পুত্র রাঘব এবং কন্যা পল্লবীর নামও জড়িয়ে পড়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে পবনের ছেলে আগাম জামিনের জন্য Calcutta High Court-এর দ্বারস্থ হন এবং আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে, যদিও শর্তসাপেক্ষে পবনের পাসপোর্ট জেলা আদালতে জমা রাখতে বলা হয়েছিল।তদন্তে উঠে এসেছে, এনসিআরপি পোর্টালের মাধ্যমে প্রায় ১৯০০-রও বেশি মানুষ এই চক্রের শিকার হয়েছেন। মোট প্রতারণার অঙ্ক প্রায় ৬০০ কোটি টাকা। যে সব অ্যাকাউন্টে এই টাকা রাখা হত, সেগুলির ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হত কলকাতার সৈয়দ আমির আলি অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত রুইয়া সেন্টার।উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১৬ সালে দমদমে জেসপ কারখানা থেকে রেলের সরঞ্জাম চুরির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন পবন রুইয়া। তাঁর মালিকানাধীন জেসপ ও ডানলপ কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাজ্য সরকার সেগুলি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেয়। বাম আমলে ডানলপ কারখানার মালিকানা তাঁর হাতেই ছিল।

৬০০ কোটি টাকার সাইবার প্রতারণা: গ্রেফতার শিল্পপতি পবন রুইয়া
কলকাতা – বড়সড় সাইবার প্রতারণার মামলায় গ্রেফতার হলেন শিল্পপতি Pawan Ruiya। পশ্চিমবঙ্গ সাইবার অপরাধ দমন শাখার হাতে মঙ্গলবার নিউটাউনের একটি হোটেলের সামনে থেকে তাঁকে আটক করা হয়। অভিযোগ, গোটা দেশজুড়ে প্রায় এক হাজার চারশোরও বেশি ভুয়ো সংস্থা খুলে বিপুল অঙ্কের টাকা হাতিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই এই মামলায় তদন্ত চলছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তল্লাশি অভিযানও শুরু হয়েছিল।এই ঘটনার সূত্রপাত ২০২৪ সালে, যখন বিধান নগরের ইকো পার্ক থানায় স্বপন কুমার মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেন। তদন্তে নেমে সাইবার আধিকারিকরা জানতে পারেন, পবন রুইয়া ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে ভুয়ো সংস্থার মাধ্যমে টাকা লেনদেন করতেন। ইতিমধ্যেই প্রায় ৩১৫ কোটি টাকার তছরুপের প্রমাণ হাতে পেয়েছে তদন্তকারী দল।এই মামলায় পবন রুইয়ার পাশাপাশি তাঁর পুত্র রাঘব এবং কন্যা পল্লবীর নামও জড়িয়ে পড়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে। ডিসেম্বর মাসে পবনের ছেলে আগাম জামিনের জন্য Calcutta High Court-এর দ্বারস্থ হন এবং আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করে, যদিও শর্তসাপেক্ষে পবনের পাসপোর্ট জেলা আদালতে জমা রাখতে বলা হয়েছিল।তদন্তে উঠে এসেছে, এনসিআরপি পোর্টালের মাধ্যমে প্রায় ১৯০০-রও বেশি মানুষ এই চক্রের শিকার হয়েছেন। মোট প্রতারণার অঙ্ক প্রায় ৬০০ কোটি টাকা। যে সব অ্যাকাউন্টে এই টাকা রাখা হত, সেগুলির ঠিকানা হিসেবে ব্যবহার করা হত কলকাতার সৈয়দ আমির আলি অ্যাভিনিউয়ে অবস্থিত রুইয়া সেন্টার।উল্লেখ্য, এর আগেও ২০১৬ সালে দমদমে জেসপ কারখানা থেকে রেলের সরঞ্জাম চুরির মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন পবন রুইয়া। তাঁর মালিকানাধীন জেসপ ও ডানলপ কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর রাজ্য সরকার সেগুলি অধিগ্রহণের উদ্যোগ নেয়। বাম আমলে ডানলপ কারখানার মালিকানা তাঁর হাতেই ছিল।
দেশ

হাজার কোটি বরাদ্দ, খরচ সামান্য—ইন্টার্নশিপ স্কিমে কেন্দ্রের দাবি ঘিরে প্রশ্ন
দেশ – প্রধানমন্ত্রী ইন্টার্নশিপ স্কিম নিয়ে কেন্দ্রের বড় বড় দাবির সঙ্গে বাস্তবের ফারাক স্পষ্ট হয়ে উঠল লোকসভায় দেওয়া সরকারি তথ্যে।
বিদেশ
কলকাতা
বিনোদন
খেলা

ধোনিহীন সিএসকে ভরাডুবি, রাজস্থানের দাপুটে জয় ১২.১ ওভারেই
খেলা- আইপিএলের ইতিহাসে এই প্রথমবার Chennai Super Kings মাঠে নামল MS Dhoni, Ravindra Jadeja এবং Suresh Raina-কে ছাড়া। স্বাভাবিকভাবেই তার

































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































