পশ্চিমবঙ্গে কি শুরু হতে চলেছে বড়সড় শিল্পজোয়ার? আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

রাজ্য – পশ্চিমবঙ্গে কি এবার সত্যিই বড়সড় শিল্পজোয়ার আসতে চলেছে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজ্যের শিল্প ও রাজনৈতিক মহলে। বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন আদানি গোষ্ঠীর অন্যতম শীর্ষ কর্ণধার করণ আদানি। দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক টানাপড়েনের পর এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহল। বৈঠকে মূলত পরিকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, লজিস্টিক্স এবং গ্রিনফিল্ড সড়ক নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। যদিও সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট প্রকল্প নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক ও শিল্প মহলে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, পালাবদলের পর থেকেই বর্তমান সরকার বারবার দাবি করে আসছে যে তারা পশ্চিমবঙ্গে একটি শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে চায়। সেই প্রেক্ষিতেই দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের শীর্ষ সূত্রের দাবি, রাজ্যের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, শিল্পের উপযুক্ত পরিষেবা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ আকর্ষণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখাই ছিল আলোচনার মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে গ্রিনফিল্ড সড়ক এবং লজিস্টিক্স নেটওয়ার্কের মতো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠীর বড় ভূমিকা থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, অতীতে পশ্চিমবঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর বিনিয়োগের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর ছিল না। পূর্বতন সরকারের আমলে তাজপুরে সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য আদানি গোষ্ঠী টেন্ডার পেলেও পরবর্তীতে প্রশাসনিক জটিলতা ও নীতিগত মতবিরোধের কারণে সেই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়নি। শেষ পর্যন্ত সেই টেন্ডার বাতিল হয়ে যায় এবং রাজ্য থেকে গোষ্ঠীটি তাদের বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রত্যাহার করে নেয়। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। অতীতের তিক্ততা পেছনে ফেলে আদানি গোষ্ঠী আবারও পশ্চিমবঙ্গকে বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করেছে বলে এই বৈঠক থেকে ইঙ্গিত মিলেছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্দর, বিদ্যুৎ, সড়ক ও লজিস্টিক্সের মতো মূল অবকাঠামো খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ হলে রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের অন্যান্য বড় শিল্পগোষ্ঠীর কাছেও এটি একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে, যা ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গে আরও বিনিয়োগ টানতে

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp

পশ্চিমবঙ্গে কি শুরু হতে চলেছে বড়সড় শিল্পজোয়ার? আদানি গোষ্ঠীর সঙ্গে নবান্নে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে

রাজ্য – পশ্চিমবঙ্গে কি এবার সত্যিই বড়সড় শিল্পজোয়ার আসতে চলেছে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজ্যের শিল্প ও রাজনৈতিক মহলে। বুধবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন আদানি গোষ্ঠীর অন্যতম শীর্ষ কর্ণধার করণ আদানি। দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক টানাপড়েনের পর এই বৈঠককে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহল। বৈঠকে মূলত পরিকাঠামো উন্নয়ন, বিদ্যুৎ, লজিস্টিক্স এবং গ্রিনফিল্ড সড়ক নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে। যদিও সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ বা নির্দিষ্ট প্রকল্প নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেনি। এই বৈঠক ঘিরে রাজ্যের রাজনৈতিক ও শিল্প মহলে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, পালাবদলের পর থেকেই বর্তমান সরকার বারবার দাবি করে আসছে যে তারা পশ্চিমবঙ্গে একটি শিল্পবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে চায়। সেই প্রেক্ষিতেই দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের শীর্ষ সূত্রের দাবি, রাজ্যের পরিকাঠামোগত উন্নয়ন, শিল্পের উপযুক্ত পরিষেবা বৃদ্ধি এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ আকর্ষণের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখাই ছিল আলোচনার মূল উদ্দেশ্য। বিশেষ করে গ্রিনফিল্ড সড়ক এবং লজিস্টিক্স নেটওয়ার্কের মতো ক্ষেত্রে আদানি গোষ্ঠীর বড় ভূমিকা থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, অতীতে পশ্চিমবঙ্গে আদানি গোষ্ঠীর বিনিয়োগের অভিজ্ঞতা খুব একটা সুখকর ছিল না। পূর্বতন সরকারের আমলে তাজপুরে সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য আদানি গোষ্ঠী টেন্ডার পেলেও পরবর্তীতে প্রশাসনিক জটিলতা ও নীতিগত মতবিরোধের কারণে সেই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়নি। শেষ পর্যন্ত সেই টেন্ডার বাতিল হয়ে যায় এবং রাজ্য থেকে গোষ্ঠীটি তাদের বিনিয়োগ পরিকল্পনা প্রত্যাহার করে নেয়। তবে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। অতীতের তিক্ততা পেছনে ফেলে আদানি গোষ্ঠী আবারও পশ্চিমবঙ্গকে বিনিয়োগের সম্ভাবনাময় গন্তব্য হিসেবে বিবেচনা করতে শুরু করেছে বলে এই বৈঠক থেকে ইঙ্গিত মিলেছে। অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, বন্দর, বিদ্যুৎ, সড়ক ও লজিস্টিক্সের মতো মূল অবকাঠামো খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগ হলে রাজ্যে কর্মসংস্থানের নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে দেশের অন্যান্য বড় শিল্পগোষ্ঠীর কাছেও এটি একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে, যা ভবিষ্যতে পশ্চিমবঙ্গে আরও বিনিয়োগ টানতে

দেশ

সমাজের জন্য কাজ করা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা বিজেপি সভাপতির, বাংলায় জনসংযোগে জোর

দেশ – সমাজের জন্য কাজ করেন এমন ব্যক্তিদের রাজনৈতিক পরিচয় বা মতাদর্শ না দেখে তাঁদের পাশে দাঁড়ানোর বার্তা দিল বিজেপির

বিদেশ

কলকাতা

বিনোদন

খেলা

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ী সূর্যকুমারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত, অধিনায়কত্ব থেকে সরানোর পথে বিসিসিআই?

খেলা – টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয় করে ভারতের ক্রিকেট ইতিহাসে নাম লিখিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদব। তবে মাত্র কয়েক মাসের ব্যবধানে সেই তারকার

আরও পড়ুন

Scroll to Top