
ভোট শেষে রাজ্যে ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, নজরে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখা
রাজ্য – ভোটপর্ব মিটলেও পশ্চিমবঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও শিথিলতা না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অতীতের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজ্যে ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার ঘোষণা করা হয়েছে। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য অশান্তি প্রতিরোধ করাই মূল লক্ষ্য।দ্বিতীয় দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই সম্পন্ন হয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার দাঁড়ায় ৮৯.৯৯ শতাংশে, যা প্রথম দফার তুলনায় সামান্য বেশি। ভোট চলাকালীন কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনার খবর এলেও দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ। নিরাপত্তা বাহিনীর সক্রিয় উপস্থিতির কারণে বড় ধরনের অশান্তি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।ভোট শেষ হওয়ার পরও বাহিনী প্রত্যাহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যেই মোতায়েন থাকবে। ফলে ভোট-পরবর্তী সময়েও কড়া নজরদারি বজায় থাকবে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়।এদিকে ভোটের শেষ পর্যায়ে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি তিনি নির্দেশ দেন যাতে প্রতিটি যোগ্য ভোটার নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।কমিশন আরও জানিয়েছে, সন্ধ্যা ৬টার পর ভোট দেওয়া যাবে না—এই ধরনের যে ভুয়ো খবর ছড়ানো হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি কোনও বুথে ভোটার লাইনে থাকেন, তাহলে তাঁদের সকলের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে।সব মিলিয়ে ভোট শেষ হলেও প্রশাসনিক নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা একইভাবে সক্রিয় রয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই—রাজ্যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সুরক্ষিত রাখা।

ভোট শেষে রাজ্যে ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, নজরে শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখা
রাজ্য – ভোটপর্ব মিটলেও পশ্চিমবঙ্গে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও শিথিলতা না রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অতীতের অভিজ্ঞতা মাথায় রেখে ভোট-পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাজ্যে ৭০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন রাখার ঘোষণা করা হয়েছে। কমিশনের স্পষ্ট নির্দেশ, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য অশান্তি প্রতিরোধ করাই মূল লক্ষ্য।দ্বিতীয় দফার ভোট মোটের উপর শান্তিপূর্ণ পরিবেশেই সম্পন্ন হয়েছে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটদানের হার দাঁড়ায় ৮৯.৯৯ শতাংশে, যা প্রথম দফার তুলনায় সামান্য বেশি। ভোট চলাকালীন কিছু বিক্ষিপ্ত ঘটনার খবর এলেও দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণে আনে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ। নিরাপত্তা বাহিনীর সক্রিয় উপস্থিতির কারণে বড় ধরনের অশান্তি এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে।ভোট শেষ হওয়ার পরও বাহিনী প্রত্যাহার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পরবর্তী আদেশ না আসা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যেই মোতায়েন থাকবে। ফলে ভোট-পরবর্তী সময়েও কড়া নজরদারি বজায় থাকবে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়।এদিকে ভোটের শেষ পর্যায়ে বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর সঙ্গে সরাসরি কথা বলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি তিনি নির্দেশ দেন যাতে প্রতিটি যোগ্য ভোটার নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।কমিশন আরও জানিয়েছে, সন্ধ্যা ৬টার পর ভোট দেওয়া যাবে না—এই ধরনের যে ভুয়ো খবর ছড়ানো হয়েছিল, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যদি কোনও বুথে ভোটার লাইনে থাকেন, তাহলে তাঁদের সকলের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে হবে।সব মিলিয়ে ভোট শেষ হলেও প্রশাসনিক নজরদারি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা একইভাবে সক্রিয় রয়েছে। উদ্দেশ্য একটাই—রাজ্যে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রেখে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সুরক্ষিত রাখা।
দেশ

মে ২০২৬ থেকে সিগারেটের দামে ফের বড় বৃদ্ধি? ITC ও Godfrey Phillips-এর সম্ভাব্য সিদ্ধান্তে বাজারে জল্পনা
দেশ – সিগারেটপ্রেমীদের জন্য আবারও খরচ বাড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। বাজার সূত্রে খবর, মে ২০২৬ থেকে দেশের শীর্ষ তামাক সংস্থাগুলি—ITC
বিদেশ
কলকাতা
বিনোদন
খেলা

একানা স্টেডিয়ামে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে রিঙ্কুর ইতিহাস, ধোনির ১৫ বছরের পুরনো রেকর্ড ভাঙল KKR তারকা
খেলা – রবিবার (২৬ এপ্রিল) একানা স্টেডিয়াম সাক্ষী থাকল আইপিএলের এক অবিশ্বাস্য রুদ্ধশ্বাস ম্যাচের। কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) বনাম লখনউ




































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































