বিরোধী আসনে তৃণমূল, শোভনদেব হচ্ছেন দলনেতা; মুখ্য সচেতক ফিরহাদ

রাজ্য – চব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতা দখল করার পর এবার বিরোধী দলের ভূমিকায় দেখা যাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে। বিধানসভায় ঘাসফুল প্রতীকে জয়ী বিধায়কদের নিয়ে কেমন হবে বিরোধী পরিষদীয় দল, তা ফলপ্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত করে ফেলল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। শনিবার রাতেই দলীয় সূত্রে নতুন পরিষদীয় দলের দায়িত্ব বণ্টনের খবর সামনে আসে।দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বালিগঞ্জের জয়ী প্রার্থী তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং বিধানসভা পরিচালনায় দক্ষতার কারণেই তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই মর্মে বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছেন।একই সঙ্গে চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ধনেখালির বিধায়ক অসীমা পাত্রকে উপ দলনেতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিধানসভায় বিরোধী কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করতে এই দুই নেত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলেই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।অন্যদিকে, কলকাতা বন্দর কেন্দ্র থেকে জয়ী ফিরহাদ হাকিমকে পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক বা চিফ হুইপ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি কলকাতা পুরসভার মেয়র হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। সেই প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগাতে চাইছে দল। উল্লেখ্য, এতদিন এই পদে ছিলেন বিজেপির শংকর ঘোষ। এখন তিনি শাসকদলের বিধায়ক।শনিবার সকালেই নতুন বিজেপি সরকার শপথ গ্রহণ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পল, দিলীপ ঘোষ, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং নিশীথ প্রামাণিক। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাতেই নিজেদের বিরোধী পরিষদীয় দলের রূপরেখা স্পষ্ট করে দিল তৃণমূল কংগ্রেস।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী দলে থেকেও বিধানসভায় আক্রমণাত্মক এবং সংগঠিত ভূমিকা নিতে চাইছে তৃণমূল। সেই কারণেই অভিজ্ঞ ও লড়াকু নেতাদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে।

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp

বিরোধী আসনে তৃণমূল, শোভনদেব হচ্ছেন দলনেতা; মুখ্য সচেতক ফিরহাদ

রাজ্য – চব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতা দখল করার পর এবার বিরোধী দলের ভূমিকায় দেখা যাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে। বিধানসভায় ঘাসফুল প্রতীকে জয়ী বিধায়কদের নিয়ে কেমন হবে বিরোধী পরিষদীয় দল, তা ফলপ্রকাশের এক সপ্তাহের মধ্যেই চূড়ান্ত করে ফেলল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল। শনিবার রাতেই দলীয় সূত্রে নতুন পরিষদীয় দলের দায়িত্ব বণ্টনের খবর সামনে আসে।দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বালিগঞ্জের জয়ী প্রার্থী তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং বিধানসভা পরিচালনায় দক্ষতার কারণেই তাঁকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই মর্মে বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছেন।একই সঙ্গে চৌরঙ্গীর বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ধনেখালির বিধায়ক অসীমা পাত্রকে উপ দলনেতার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। বিধানসভায় বিরোধী কণ্ঠস্বরকে আরও শক্তিশালী করতে এই দুই নেত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন বলেই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।অন্যদিকে, কলকাতা বন্দর কেন্দ্র থেকে জয়ী ফিরহাদ হাকিমকে পরিষদীয় দলের মুখ্য সচেতক বা চিফ হুইপ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন দপ্তরের দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি কলকাতা পুরসভার মেয়র হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। সেই প্রশাসনিক অভিজ্ঞতাকেই কাজে লাগাতে চাইছে দল। উল্লেখ্য, এতদিন এই পদে ছিলেন বিজেপির শংকর ঘোষ। এখন তিনি শাসকদলের বিধায়ক।শনিবার সকালেই নতুন বিজেপি সরকার শপথ গ্রহণ করেছে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পল, দিলীপ ঘোষ, অশোক কীর্তনিয়া, ক্ষুদিরাম টুডু এবং নিশীথ প্রামাণিক। নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাতেই নিজেদের বিরোধী পরিষদীয় দলের রূপরেখা স্পষ্ট করে দিল তৃণমূল কংগ্রেস।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিরোধী দলে থেকেও বিধানসভায় আক্রমণাত্মক এবং সংগঠিত ভূমিকা নিতে চাইছে তৃণমূল। সেই কারণেই অভিজ্ঞ ও লড়াকু নেতাদের হাতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে।

দেশ

ভারতে AI, সার্ভার ও ড্রোন নির্মাণে বড় বিনিয়োগের ভাবনা গুগলের, জানালেন অশ্বিনী বৈষ্ণব

দেশ – ভারতে প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে আরও বড়সড় বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে গুগল। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা AI থেকে শুরু

বিদেশ

কলকাতা

বিনোদন

খেলা

আরও পড়ুন

Scroll to Top