
দুই দশকের অপেক্ষার অবসান, আইএসএল জিতে ভারতীয় ফুটবলের নতুন সম্রাট ইস্টবেঙ্গল
খেলা – দীর্ঘ ২০ বছরের ট্রফিহীন যন্ত্রণা, অসংখ্য ব্যর্থতা আর হতাশার পর অবশেষে ইতিহাস রচনা করল East Bengal FC। যুবভারতী থেকে কিশোর ভারতী— গোটা কলকাতা জুড়ে গর্জে উঠল “ইস্টবেঙ্গল… ইস্টবেঙ্গল…” ধ্বনি। সমস্ত সমীকরণ, সমস্ত জল্পনাকে পিছনে ফেলে প্রথমবার Indian Super League চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভারতীয় ফুটবলের নতুন সম্রাট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল লাল-হলুদ ব্রিগেড। শুধু ট্রফি জয় নয়, ২২ বছর পর জাতীয় স্তরের লিগে শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার করে এই সাফল্য এখন ভারতীয় ফুটবলের এক ঐতিহাসিক লোকগাথা হয়ে উঠেছে।ফাইনালের আগে দলের ড্রেসিংরুমে স্প্যানিশ কোচ Oscar Bruzon ফুটবলারদের উদ্দেশে বলেছিলেন, “সব ভুলে জীবনের সেরা শেষ ৯০ মিনিট উজাড় করে দাও।” সেই কথাই যেন আগুন জ্বালিয়ে দেয় ফুটবলারদের মনে। ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তে দেখা গেল জয়ের জন্য মরিয়া এক ইস্টবেঙ্গলকে।কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুটা অবশ্য সহজ ছিল না। শক্তিশালী Inter Kashi-র বিরুদ্ধে প্রথমার্ধেই পিছিয়ে পড়ে লাল-হলুদ শিবির। মুহূর্তের মধ্যে স্তব্ধ হয়ে যায় গ্যালারি। কিন্তু ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো ফিরে আসার নামই যে ইস্টবেঙ্গল, তা আবারও প্রমাণ করলেন ফুটবলাররা।মাঝমাঠে মিগুয়েল ফিগুয়েরার দুরন্ত নিয়ন্ত্রণ ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। রশিদ এবং ইউসেফ এজ়েজারিদের আক্রমণাত্মক ফুটবল বারবার চাপে ফেলে ইন্টার কাশীর রক্ষণভাগকে। পিছিয়ে পড়েও যে দাপটের সঙ্গে প্রত্যাবর্তন করল ইস্টবেঙ্গল, তা শেষ পর্যন্ত তাদের মাথায় পরিয়ে দিল আইএসএল চ্যাম্পিয়নের মুকুট।একদিকে যখন লাল-হলুদ শিবির উৎসবের আলোয় ডুবেছে, অন্যদিকে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী Mohun Bagan Super Giant শিবিরে নেমে এসেছে হতাশার অন্ধকার। শেষ ম্যাচ পর্যন্ত মেরিনার্সদের সামনে গাণিতিকভাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সামান্য সুযোগ ছিল। তবে তার জন্য নিজেদের শেষ ম্যাচে দিল্লির বিরুদ্ধে জয় পাওয়ার পাশাপাশি ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট নষ্ট হওয়াও জরুরি ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সমস্ত হিসাব উল্টে দিয়ে ভারতীয় ফুটবলের সিংহাসনে বসল ইস্টবেঙ্গল।

দুই দশকের অপেক্ষার অবসান, আইএসএল জিতে ভারতীয় ফুটবলের নতুন সম্রাট ইস্টবেঙ্গল
খেলা – দীর্ঘ ২০ বছরের ট্রফিহীন যন্ত্রণা, অসংখ্য ব্যর্থতা আর হতাশার পর অবশেষে ইতিহাস রচনা করল East Bengal FC। যুবভারতী থেকে কিশোর ভারতী— গোটা কলকাতা জুড়ে গর্জে উঠল “ইস্টবেঙ্গল… ইস্টবেঙ্গল…” ধ্বনি। সমস্ত সমীকরণ, সমস্ত জল্পনাকে পিছনে ফেলে প্রথমবার Indian Super League চ্যাম্পিয়ন হয়ে ভারতীয় ফুটবলের নতুন সম্রাট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল লাল-হলুদ ব্রিগেড। শুধু ট্রফি জয় নয়, ২২ বছর পর জাতীয় স্তরের লিগে শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধার করে এই সাফল্য এখন ভারতীয় ফুটবলের এক ঐতিহাসিক লোকগাথা হয়ে উঠেছে।ফাইনালের আগে দলের ড্রেসিংরুমে স্প্যানিশ কোচ Oscar Bruzon ফুটবলারদের উদ্দেশে বলেছিলেন, “সব ভুলে জীবনের সেরা শেষ ৯০ মিনিট উজাড় করে দাও।” সেই কথাই যেন আগুন জ্বালিয়ে দেয় ফুটবলারদের মনে। ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্তে দেখা গেল জয়ের জন্য মরিয়া এক ইস্টবেঙ্গলকে।কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে ম্যাচের শুরুটা অবশ্য সহজ ছিল না। শক্তিশালী Inter Kashi-র বিরুদ্ধে প্রথমার্ধেই পিছিয়ে পড়ে লাল-হলুদ শিবির। মুহূর্তের মধ্যে স্তব্ধ হয়ে যায় গ্যালারি। কিন্তু ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো ফিরে আসার নামই যে ইস্টবেঙ্গল, তা আবারও প্রমাণ করলেন ফুটবলাররা।মাঝমাঠে মিগুয়েল ফিগুয়েরার দুরন্ত নিয়ন্ত্রণ ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। রশিদ এবং ইউসেফ এজ়েজারিদের আক্রমণাত্মক ফুটবল বারবার চাপে ফেলে ইন্টার কাশীর রক্ষণভাগকে। পিছিয়ে পড়েও যে দাপটের সঙ্গে প্রত্যাবর্তন করল ইস্টবেঙ্গল, তা শেষ পর্যন্ত তাদের মাথায় পরিয়ে দিল আইএসএল চ্যাম্পিয়নের মুকুট।একদিকে যখন লাল-হলুদ শিবির উৎসবের আলোয় ডুবেছে, অন্যদিকে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী Mohun Bagan Super Giant শিবিরে নেমে এসেছে হতাশার অন্ধকার। শেষ ম্যাচ পর্যন্ত মেরিনার্সদের সামনে গাণিতিকভাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সামান্য সুযোগ ছিল। তবে তার জন্য নিজেদের শেষ ম্যাচে দিল্লির বিরুদ্ধে জয় পাওয়ার পাশাপাশি ইন্টার কাশীর বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট নষ্ট হওয়াও জরুরি ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সমস্ত হিসাব উল্টে দিয়ে ভারতীয় ফুটবলের সিংহাসনে বসল ইস্টবেঙ্গল।
দেশ

নিট-ইউজি ২০২৬-এ প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি, সংসদীয় কমিটিকে জানাল এনটিএ
দেশ – National Testing Agency-র পক্ষ থেকে জানানো হলো, NEET-UG 2026 পরীক্ষায় কোনও প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি। শুধুমাত্র কয়েকটি প্রশ্ন পরীক্ষার
বিদেশ
কলকাতা
বিনোদন
খেলা

দুই দশকের অপেক্ষার অবসান, আইএসএল জিতে ভারতীয় ফুটবলের নতুন সম্রাট ইস্টবেঙ্গল
খেলা – দীর্ঘ ২০ বছরের ট্রফিহীন যন্ত্রণা, অসংখ্য ব্যর্থতা আর হতাশার পর অবশেষে ইতিহাস রচনা করল East Bengal FC। যুবভারতী




































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































