
তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের নতুন ঠিকানা এনসিপিআই, রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা
রাজ্য – পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের একদল বিদ্রোহী সাংসদের রাজনৈতিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে। বিধানসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর তৃণমূলের কয়েকজন সাংসদ প্রকাশ্যে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁদের মধ্যে কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও শতাব্দী রায়ের নাম বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। প্রথমদিকে এই সাংসদরা লোকসভায় তৃণমূলের থেকে আলাদা গোষ্ঠী গঠনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। পাশাপাশি বিজেপির বিভিন্ন নীতিকে সমর্থন করার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। তবে পরিস্থিতির নাটকীয় মোড় দেখা যায় রবিবার, যখন বিদ্রোহী সাংসদরা লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জানান যে তাঁরা আর আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি চাইছেন না। এর পরিবর্তে তাঁরা ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই) নামে একটি রাজনৈতিক দলে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা যায়। একইসঙ্গে তাঁরা জাতীয় রাজনীতিতে এনডিএকে সমর্থনের কথাও জানিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিদ্রোহী সাংসদদের এই পদক্ষেপের পর সংবাদমাধ্যম এনসিপিআই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা শুরু করে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, দলটি নির্বাচন কমিশনের কাছে নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক সংগঠন হলেও এর কার্যকলাপ মূলত সমাজসেবামূলক ক্ষেত্রেও বিস্তৃত। ২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে দলটি তিনটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। ত্রিপুরার আমবাসা, ধলাই জেলার ছামনু এবং উনকোটি জেলার কৈলাসহর কেন্দ্রে এনসিপিআইয়ের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে আমবাসা কেন্দ্র থেকে কৃষ্ণকুমার দেবমর্মা, ছামনু কেন্দ্র থেকে বরজেদা ত্রিপুরা এবং কৈলাসহর কেন্দ্র থেকে জাহাঙ্গির আলী প্রার্থী ছিলেন। দলের সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, শিউলি কুণ্ডু বর্তমানে দলের সভানেত্রী। উত্তীয় কুণ্ডু সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন এবং শান্তনু দে জাতীয় সাংগঠনিক মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের এই নতুন রাজনৈতিক অবস্থান ভবিষ্যতে জাতীয় ও রাজ্য রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের নতুন ঠিকানা এনসিপিআই, রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা
রাজ্য – পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসের একদল বিদ্রোহী সাংসদের রাজনৈতিক অবস্থানকে কেন্দ্র করে। বিধানসভা নির্বাচনে দলের ভরাডুবির পর তৃণমূলের কয়েকজন সাংসদ প্রকাশ্যে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তাঁদের মধ্যে কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও শতাব্দী রায়ের নাম বিশেষভাবে আলোচনায় আসে। প্রথমদিকে এই সাংসদরা লোকসভায় তৃণমূলের থেকে আলাদা গোষ্ঠী গঠনের ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। পাশাপাশি বিজেপির বিভিন্ন নীতিকে সমর্থন করার ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। তবে পরিস্থিতির নাটকীয় মোড় দেখা যায় রবিবার, যখন বিদ্রোহী সাংসদরা লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জানান যে তাঁরা আর আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি চাইছেন না। এর পরিবর্তে তাঁরা ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেন্স পার্টি অব ইন্ডিয়া’ (এনসিপিআই) নামে একটি রাজনৈতিক দলে যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা যায়। একইসঙ্গে তাঁরা জাতীয় রাজনীতিতে এনডিএকে সমর্থনের কথাও জানিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিদ্রোহী সাংসদদের এই পদক্ষেপের পর সংবাদমাধ্যম এনসিপিআই সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানার চেষ্টা শুরু করে। বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, দলটি নির্বাচন কমিশনের কাছে নিবন্ধিত একটি রাজনৈতিক সংগঠন হলেও এর কার্যকলাপ মূলত সমাজসেবামূলক ক্ষেত্রেও বিস্তৃত। ২০২৩ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে দলটি তিনটি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। ত্রিপুরার আমবাসা, ধলাই জেলার ছামনু এবং উনকোটি জেলার কৈলাসহর কেন্দ্রে এনসিপিআইয়ের প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। ওই নির্বাচনে আমবাসা কেন্দ্র থেকে কৃষ্ণকুমার দেবমর্মা, ছামনু কেন্দ্র থেকে বরজেদা ত্রিপুরা এবং কৈলাসহর কেন্দ্র থেকে জাহাঙ্গির আলী প্রার্থী ছিলেন। দলের সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী, শিউলি কুণ্ডু বর্তমানে দলের সভানেত্রী। উত্তীয় কুণ্ডু সহ-সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন এবং শান্তনু দে জাতীয় সাংগঠনিক মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদদের এই নতুন রাজনৈতিক অবস্থান ভবিষ্যতে জাতীয় ও রাজ্য রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মধ্যে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।
দেশ

স্লোভাকিয়ায় প্রধানমন্ত্রী মোদী, ভারত-স্লোভাকিয়া সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ের সূচনা
দেশ – ইউরোপ সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে স্লোভাকিয়ায় পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ১৯৯৩ সালে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্লোভাকিয়ার আত্মপ্রকাশের পর
বিদেশ
কলকাতা
বিনোদন
খেলা

কুরাসাওকে ৭-১ গোলে উড়িয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু জার্মানির
খেলা – বিশ্বকাপের মঞ্চে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দিয়ে অভিযান শুরু করল চারবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন জার্মানি। রবিবার হিউস্টন স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে কুরাসাওকে ৭-১



































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































