
পুনর্বাসনের দাবিতে হাই কোর্টের পথে সেতুর নিচের বাসিন্দারা, উচ্ছেদ ঘিরে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
কলকাতা – কলকাতার বিভিন্ন সেতুর নিচে বসবাসকারী ও ব্যবসা করা মানুষদের মধ্যে উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ছাড়া উচ্ছেদ করা যাবে না—এই দাবিকে সামনে রেখে ১০৫টি সেতুর নিচে বসবাসকারী বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যদিও যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় নেই, তাঁদের ভবিষ্যৎ আরও বেশি অনিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। তবুও আদালতের হস্তক্ষেপে কোনও ইতিবাচক সমাধান মিলতে পারে, সেই আশাতেই রয়েছেন অনেকেই। শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সেতুগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কলকাতা পুরসভা সম্প্রতি উচ্ছেদের নোটিস জারি করেছে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, নির্ধারিত সময়ে অভিযান শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। সেই কারণে বহু পরিবার ইতিমধ্যেই নিজেদের জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে। খাটালের গরু-মোষ পর্যন্ত লরিতে তুলে শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে মাথা গোঁজার আশ্রয়ের খোঁজে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের দ্বারস্থ হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে এই ইস্যুতে রাজনৈতিক মহলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিরোধী দল প্রকাশ্যে বিশেষ মন্তব্য করছে না। আবার শাসকদলের স্থানীয় নেতৃত্বও বিষয়টি থেকে নিজেদের দূরে রাখছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। ফলে আইনি লড়াইকেই শেষ ভরসা হিসেবে দেখছেন উচ্ছেদের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন। কলকাতার যেসব সেতুর নিচে উচ্ছেদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তার উল্লেখযোগ্য অংশের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব রয়েছে কেএমডিএ-র উপর। এছাড়াও হুগলি রিভার ব্রিজ কমিশন, সেচ দপ্তর, পূর্ত দপ্তর এবং কলকাতা পুরসভার অধীনেও একাধিক সেতু রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বহু পুরনো এই সেতুগুলির কাঠামো দীর্ঘদিনের অবহেলা, ইঁদুরের গর্ত এবং নিচে বসবাসকারীদের রান্নার ধোঁয়া ও তাপের কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাই বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিতে চাইছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, উচ্ছেদের নোটিস পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থক ও কর্মীরাও রয়েছেন। ঢাকুরিয়া, পঞ্চাননতলা, বন্ডেলগেট, অরবিন্দ সেতুসহ একাধিক এলাকায় বিজেপি, তৃণমূল এবং সিপিএমের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নামও নোটিসপ্রাপকদের তালিকায় রয়েছে। ফলে এই উচ্ছেদ অভিযান শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং মানবিক ও রাজনৈতিক—দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে।

পুনর্বাসনের দাবিতে হাই কোর্টের পথে সেতুর নিচের বাসিন্দারা, উচ্ছেদ ঘিরে বাড়ছে অনিশ্চয়তা
কলকাতা – কলকাতার বিভিন্ন সেতুর নিচে বসবাসকারী ও ব্যবসা করা মানুষদের মধ্যে উচ্ছেদকে কেন্দ্র করে চরম উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা ছাড়া উচ্ছেদ করা যাবে না—এই দাবিকে সামনে রেখে ১০৫টি সেতুর নিচে বসবাসকারী বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যদিও যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় নেই, তাঁদের ভবিষ্যৎ আরও বেশি অনিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। তবুও আদালতের হস্তক্ষেপে কোনও ইতিবাচক সমাধান মিলতে পারে, সেই আশাতেই রয়েছেন অনেকেই। শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি এবং দীর্ঘদিনের পুরনো ও ঝুঁকিপূর্ণ সেতুগুলির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কলকাতা পুরসভা সম্প্রতি উচ্ছেদের নোটিস জারি করেছে। প্রশাসনিক সূত্রের খবর, নির্ধারিত সময়ে অভিযান শুরু হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা। সেই কারণে বহু পরিবার ইতিমধ্যেই নিজেদের জিনিসপত্র সরিয়ে নেওয়ার কাজ শুরু করেছে। খাটালের গরু-মোষ পর্যন্ত লরিতে তুলে শহরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে মাথা গোঁজার আশ্রয়ের খোঁজে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের দ্বারস্থ হচ্ছেন ক্ষতিগ্রস্তরা। তবে এই ইস্যুতে রাজনৈতিক মহলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সরকারি সিদ্ধান্তকে ঘিরে বিরোধী দল প্রকাশ্যে বিশেষ মন্তব্য করছে না। আবার শাসকদলের স্থানীয় নেতৃত্বও বিষয়টি থেকে নিজেদের দূরে রাখছে বলে অভিযোগ বাসিন্দাদের। ফলে আইনি লড়াইকেই শেষ ভরসা হিসেবে দেখছেন উচ্ছেদের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষজন। কলকাতার যেসব সেতুর নিচে উচ্ছেদের নোটিস দেওয়া হয়েছে, তার উল্লেখযোগ্য অংশের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব রয়েছে কেএমডিএ-র উপর। এছাড়াও হুগলি রিভার ব্রিজ কমিশন, সেচ দপ্তর, পূর্ত দপ্তর এবং কলকাতা পুরসভার অধীনেও একাধিক সেতু রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বহু পুরনো এই সেতুগুলির কাঠামো দীর্ঘদিনের অবহেলা, ইঁদুরের গর্ত এবং নিচে বসবাসকারীদের রান্নার ধোঁয়া ও তাপের কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে। তাই বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিতে চাইছে। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, উচ্ছেদের নোটিস পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমর্থক ও কর্মীরাও রয়েছেন। ঢাকুরিয়া, পঞ্চাননতলা, বন্ডেলগেট, অরবিন্দ সেতুসহ একাধিক এলাকায় বিজেপি, তৃণমূল এবং সিপিএমের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নামও নোটিসপ্রাপকদের তালিকায় রয়েছে। ফলে এই উচ্ছেদ অভিযান শুধুমাত্র একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয়, বরং মানবিক ও রাজনৈতিক—দুই দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠেছে।
দেশ

জি-৭ মঞ্চে ট্রাম্পের সামনেই বার্তা মোদির, ‘নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই হবে’
দেশ – ওমান উপকূলে একটি বাণিজ্যতরীতে মার্কিন হামলা এবং তাতে তিন ভারতীয় নাবিকের মৃত্যুর ঘটনায় উত্তপ্ত দেশের রাজনৈতিক মহল। এই
বিদেশ
কলকাতা
বিনোদন
খেলা

দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে হার, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে থমকে গেল ভারতের মেয়েদের জয়যাত্রা
খেলা – ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ছয় উইকেটে পরাজিত হল ভারতীয় মহিলা







































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































