
রাজ্যে ওবিসি সংরক্ষণে বড় বদল, ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করার সিদ্ধান্তের দাবি
রাজ্য – রাজ্যে ওবিসি সংরক্ষণ নীতি নিয়ে বড় প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের পথে হাঁটল সরকার। মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের দাবি। একইসঙ্গে আগের সংরক্ষণ কাঠামোয় পরিবর্তন এনে নতুন নিয়ম দ্রুত কার্যকর করার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।সরকারি সূত্রের বক্তব্য, সংবিধানের নির্দেশিকা এবং আদালতের পর্যবেক্ষণ মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি চাকরি এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে নতুন সংরক্ষণ কাঠামো আগামী পর্যায় থেকেই কার্যকর হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে পূর্ববর্তী সরকারের সময় চালু হওয়া বিস্তৃত ওবিসি সংরক্ষণ কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে ওবিসি সংরক্ষণের হার ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৭ শতাংশ করা হয়েছিল। সেই সময় একাধিক নতুন গোষ্ঠীকে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা দায়ের হয় এবং বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে ২০১০ সালের পর জারি হওয়া একাধিক ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেই সময় বিরোধী রাজনৈতিক মহলের অভিযোগ ছিল, সংরক্ষণের পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক ও শিক্ষাগত অনগ্রসরতার পরিবর্তে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বেশি গুরুত্ব পেয়েছিল। যদিও তৎকালীন সরকার সেই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছিল।বর্তমান সরকারের দাবি, আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং চলমান আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের বক্তব্য, প্রকৃত সামাজিক ও শিক্ষাগতভাবে অনগ্রসর শ্রেণির মানুষের কাছে সংরক্ষণের সুবিধা পৌঁছে দিতেই এই পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, নতুন সংরক্ষণ কাঠামোয় ওবিসি এ এবং ওবিসি বি- এই বিভাজন আর রাখা হচ্ছে না। পাশাপাশি আগে অন্তর্ভুক্ত কিছু সম্প্রদায়ের অবস্থানও পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য, নতুন তালিকা এবং সংরক্ষণ নীতির বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পুরো বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।রাজ্যে সংরক্ষণ নীতির এই পরিবর্তন প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক- দুই ক্ষেত্রেই আগামী দিনে বড় বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ সংরক্ষণ শুধুমাত্র সংখ্যার হিসাব নয়, বরং শিক্ষা, চাকরি এবং সামাজিক প্রতিনিধিত্বের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।

রাজ্যে ওবিসি সংরক্ষণে বড় বদল, ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করার সিদ্ধান্তের দাবি
রাজ্য – রাজ্যে ওবিসি সংরক্ষণ নীতি নিয়ে বড় প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের পথে হাঁটল সরকার। মন্ত্রিসভার বৈঠকে ওবিসি সংরক্ষণের হার ১৭ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৭ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সরকারি সূত্রের দাবি। একইসঙ্গে আগের সংরক্ষণ কাঠামোয় পরিবর্তন এনে নতুন নিয়ম দ্রুত কার্যকর করার প্রস্তুতিও শুরু হয়েছে।সরকারি সূত্রের বক্তব্য, সংবিধানের নির্দেশিকা এবং আদালতের পর্যবেক্ষণ মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারি চাকরি এবং উচ্চশিক্ষায় ভর্তির ক্ষেত্রে নতুন সংরক্ষণ কাঠামো আগামী পর্যায় থেকেই কার্যকর হতে পারে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে পূর্ববর্তী সরকারের সময় চালু হওয়া বিস্তৃত ওবিসি সংরক্ষণ কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে।উল্লেখযোগ্যভাবে, তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে ওবিসি সংরক্ষণের হার ৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৭ শতাংশ করা হয়েছিল। সেই সময় একাধিক নতুন গোষ্ঠীকে ওবিসি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়। পরে সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে মামলা দায়ের হয় এবং বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গড়ায়।কলকাতা হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে ২০১০ সালের পর জারি হওয়া একাধিক ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সেই সময় বিরোধী রাজনৈতিক মহলের অভিযোগ ছিল, সংরক্ষণের পরিধি বাড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক ও শিক্ষাগত অনগ্রসরতার পরিবর্তে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বেশি গুরুত্ব পেয়েছিল। যদিও তৎকালীন সরকার সেই অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছিল।বর্তমান সরকারের দাবি, আদালতের পর্যবেক্ষণ এবং চলমান আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই এই নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রের বক্তব্য, প্রকৃত সামাজিক ও শিক্ষাগতভাবে অনগ্রসর শ্রেণির মানুষের কাছে সংরক্ষণের সুবিধা পৌঁছে দিতেই এই পুনর্বিন্যাস করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, নতুন সংরক্ষণ কাঠামোয় ওবিসি এ এবং ওবিসি বি- এই বিভাজন আর রাখা হচ্ছে না। পাশাপাশি আগে অন্তর্ভুক্ত কিছু সম্প্রদায়ের অবস্থানও পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে। সরকারের বক্তব্য, নতুন তালিকা এবং সংরক্ষণ নীতির বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পুরো বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।রাজ্যে সংরক্ষণ নীতির এই পরিবর্তন প্রশাসনিক এবং রাজনৈতিক- দুই ক্ষেত্রেই আগামী দিনে বড় বিতর্কের বিষয় হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ সংরক্ষণ শুধুমাত্র সংখ্যার হিসাব নয়, বরং শিক্ষা, চাকরি এবং সামাজিক প্রতিনিধিত্বের সঙ্গেও সরাসরি যুক্ত।
দেশ

প্রয়াত লিয়েন্ডার পেজের মা জেনিফার পেজ, শোকস্তব্ধ ভারতীয় ক্রীড়ামহল
দেশ – ভারতীয় ক্রীড়াজগতে নেমে এল শোকের ছায়া। প্রয়াত হলেন টেনিস কিংবদন্তি Leander Paes-এর মা Jennifer Paes। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স
বিদেশ
কলকাতা
বিনোদন
খেলা

ডার্বি অমীমাংসিত, মেসি-কাণ্ডে টাকা ফেরতের আশ্বাস ক্রীড়ামন্ত্রীর
খেলা – আইএসএলের মহাডার্বি শেষ হল অমীমাংসিতভাবে। East Bengal FC ও Mohun Bagan Super Giant-এর হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষ পর্যন্ত ১-১







































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































































