ইডেনে মুম্বইকে হারিয়ে প্লে-অফের আশা বাঁচাল কেকেআর

খেলা – ম্যাচ হারলেই প্লে-অফের দৌড় থেকে বিদায় নিশ্চিত ছিল  কলকাতা নাইট রাইডার্সের। তাই ইডেন গার্ডেন্সে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ছিল রীতিমতো বাঁচা-মরার লড়াই। সেই কঠিন পরীক্ষায় সফল হল অজিঙ্কা রাহানের দল। ঘরের মাঠে দুরন্ত পারফরম্যান্সে মুম্বইকে হারিয়ে প্লে-অফের আশা জিইয়ে রাখল কেকেআর।১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি কলকাতার। দীপক চাহারের বলে মাত্র ৮ রান করে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ফিন অ্যালেন। এরপর অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে ২১ রান করে আউট হন করবিন বশের বলে। পরের ওভারেই ক্যামেরন গ্রিনও সাজঘরে ফেরেন। ফলে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় নাইট শিবির।তবে সেই চাপ সামাল দেন মনীশ পান্ডে ও রোভম্যান পাওয়েল। দু’জনেই দায়িত্ব নিয়ে ইনিংস গড়ে তোলেন। মনীশ ৪৫ এবং পাওয়েল ৪০ রান করে দলকে জয়ের রাস্তার অনেকটাই এগিয়ে দেন। যদিও শেষের দিকে দ্রুত দু’টি উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল কেকেআর। কিন্তু রিঙ্কু সিং ও অনুকূল রায় ঠান্ডা মাথায় ম্যাচ শেষ করে দলকে গুরুত্বপূর্ণ জয় এনে দেন। বিশেষ করে রিঙ্কু আবারও ফিনিশারের ভূমিকায় নজর কাড়েন।এর আগে টস জিতে প্রথমে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠান কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপে রাখা হয় মুম্বই ব্যাটারদের। তৃতীয় ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন ক্যামেরন গ্রিন। প্রথমে রায়ান রিকেলটনকে ফেরানোর পর শূন্য রানে নমন ধীরকেও সাজঘরে পাঠান তিনি।এরপর সৌরভ দুবেও আক্রমণে এসে বড় সাফল্য এনে দেন কলকাতাকে। চাপের মুখে মারতে গিয়ে আউট হন রোহিত শর্মা। তিনি করেন ১৫ রান। একইভাবে সূর্যকুমার যাদবও ১৫ রান করে বোল্ড হয়ে ফিরে যান। পাওয়ার প্লে শেষে চার উইকেট হারিয়ে মুম্বইয়ের রান দাঁড়ায় ৪৬।এরপর তিলক বর্মা ও হার্দিক পাণ্ড্য কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তবে বৃষ্টির জন্য মাঝপথে খেলা কিছু সময় বন্ধ থাকলেও ওভার কমানো হয়নি। ফের খেলা শুরু হওয়ার পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় মুম্বই। কিন্তু ১৪তম ওভারে তিলক বর্মা ২০ রান করে আউট হন। এরপর সুনীল নারাইনের বলে ২৬ রান করে ফিরে যান হার্দিক পাণ্ড্যও।শেষদিকে উইল জ্যাকস কিছুটা ঝড় তোলেন। মাত্র

Facebook
Twitter
LinkedIn
WhatsApp

ইডেনে মুম্বইকে হারিয়ে প্লে-অফের আশা বাঁচাল কেকেআর

খেলা – ম্যাচ হারলেই প্লে-অফের দৌড় থেকে বিদায় নিশ্চিত ছিল  কলকাতা নাইট রাইডার্সের। তাই ইডেন গার্ডেন্সে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ছিল রীতিমতো বাঁচা-মরার লড়াই। সেই কঠিন পরীক্ষায় সফল হল অজিঙ্কা রাহানের দল। ঘরের মাঠে দুরন্ত পারফরম্যান্সে মুম্বইকে হারিয়ে প্লে-অফের আশা জিইয়ে রাখল কেকেআর।১৪৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি কলকাতার। দীপক চাহারের বলে মাত্র ৮ রান করে উইকেটরক্ষকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ফিন অ্যালেন। এরপর অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে ২১ রান করে আউট হন করবিন বশের বলে। পরের ওভারেই ক্যামেরন গ্রিনও সাজঘরে ফেরেন। ফলে শুরুতেই চাপে পড়ে যায় নাইট শিবির।তবে সেই চাপ সামাল দেন মনীশ পান্ডে ও রোভম্যান পাওয়েল। দু’জনেই দায়িত্ব নিয়ে ইনিংস গড়ে তোলেন। মনীশ ৪৫ এবং পাওয়েল ৪০ রান করে দলকে জয়ের রাস্তার অনেকটাই এগিয়ে দেন। যদিও শেষের দিকে দ্রুত দু’টি উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়েছিল কেকেআর। কিন্তু রিঙ্কু সিং ও অনুকূল রায় ঠান্ডা মাথায় ম্যাচ শেষ করে দলকে গুরুত্বপূর্ণ জয় এনে দেন। বিশেষ করে রিঙ্কু আবারও ফিনিশারের ভূমিকায় নজর কাড়েন।এর আগে টস জিতে প্রথমে মুম্বইকে ব্যাট করতে পাঠান কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপে রাখা হয় মুম্বই ব্যাটারদের। তৃতীয় ওভারেই জোড়া আঘাত হানেন ক্যামেরন গ্রিন। প্রথমে রায়ান রিকেলটনকে ফেরানোর পর শূন্য রানে নমন ধীরকেও সাজঘরে পাঠান তিনি।এরপর সৌরভ দুবেও আক্রমণে এসে বড় সাফল্য এনে দেন কলকাতাকে। চাপের মুখে মারতে গিয়ে আউট হন রোহিত শর্মা। তিনি করেন ১৫ রান। একইভাবে সূর্যকুমার যাদবও ১৫ রান করে বোল্ড হয়ে ফিরে যান। পাওয়ার প্লে শেষে চার উইকেট হারিয়ে মুম্বইয়ের রান দাঁড়ায় ৪৬।এরপর তিলক বর্মা ও হার্দিক পাণ্ড্য কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। তবে বৃষ্টির জন্য মাঝপথে খেলা কিছু সময় বন্ধ থাকলেও ওভার কমানো হয়নি। ফের খেলা শুরু হওয়ার পর ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালায় মুম্বই। কিন্তু ১৪তম ওভারে তিলক বর্মা ২০ রান করে আউট হন। এরপর সুনীল নারাইনের বলে ২৬ রান করে ফিরে যান হার্দিক পাণ্ড্যও।শেষদিকে উইল জ্যাকস কিছুটা ঝড় তোলেন। মাত্র

দেশ

বিদেশ

কলকাতা

বিনোদন

খেলা

আরও পড়ুন

Scroll to Top